ভোট পরবর্তী হিংসায় এবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধেই লিখিত অভিযোগ দায়ের শান্তিনিকেতন থানায়। ২০২১ সালে নির্বাচনের রেজাল্ট বেরোনোর পর বোমা-বন্দুক দেখিয়ে ইটভাটা থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ইট লুঠ করা হয় বলে অভিযোগ। তৎকালীন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি কেষ্ট’র নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। অভিযোগকারীর দাবি, ১০০টি ট্রাক্টর-সহ লোকজন নিয়ে কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান মামন শেখের নেতৃত্বে রীতিমতো লুটপাট চলে। এই পরিস্থিতিতে ইট ভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডলকে সেই সময় নিজের ব্যবসা ছেড়ে প্রাণ ভয়ে পালাতে হয়। পুলিশের দ্বারস্থ হলেও সহযোগিতা মেলেনি। এমনকি, তৎকালীন জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকেও লিখিত অভিযোগ করেও মেলেনি সুরাহা। রাজ্যে পালাবো দলের পরে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়েই অনুব্রত-সহ ১৩ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই ইটভাটা মালিক।
এই বিষয়ে আরও খবর
২০২১ সালে নির্বাচনের রেজাল্ট বেরোনোর পর বোমা-বন্দুক দেখিয়ে ইটভাটা থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ইট লুঠ করা হয় বলে অভিযোগ। তৎকালীন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি কেষ্ট’র নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।
জানা যায়, শান্তিনিকেতন থানার আদিত্যপুরের পাথরঘাটা গ্রামে লায়ন ব্রিক ফিল্ড নামে একটি ইট ভাটা রয়েছে। এই ভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল। তাঁর এই ব্যবসার অন্যতম অংশীদার হলেন দেবপ্রসাদ রায়। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃণমূল-কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসে। এরপরেই বীরভূমে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান মহম্মদ ওহিউদ্দিন ওরফে মামন তাঁর নেতৃত্বে শতাধিক ট্রাক্টর নিয়ে তৃণমূলের কর্মীরা ওই ইট ভাটায় চড়াও হয়। অভিযোগ, প্রত্যেকের হাতে ছিল বোমা ও বন্দুক৷ ভয়াবহ তাণ্ডব দেখে কোন রকমে কোপাই নদীর তীর ধরে পালাতে হয় ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডলকে। এরপর প্রায় তিন লক্ষ ইট লুঠ করা হয় বলেই অভিযোগ। শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগের পর অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র,চুরি, ভয় দেখানো, সম্পত্তির ক্ষতি, জনসমাজে বিশৃঙ্খলা সহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায় করে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

ইট ভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল বলেন, “বোলপুরে দলীয় কার্যালয় তৈরির সময় ইট চেয়েছিল, দিয়েছিলাম৷ কিন্তু, তাতেও ওদের হয়নি। প্রায় সময় টাকা চাইতো। তোলা দিতে পারিনি বলে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হই৷ সেই দিনের ঘটনা মনে পড়লেই ভয়ংকর ঘটনার কথা মনে পড়ে। অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই উপপ্রধান মামন ও তাঁর অনুগামীরা হাতে বন্দুক নিয়ে বোমা মারতে মারতে প্রায় ১০০টি ট্রাক্টর নিয়ে লোকজন এসে ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করে নিয়ে যায়। আমি কোন রকমে প্রাণ ভয়ে পালিয়েছিলাম, না হলে প্রাণে মেরে দিত। আমার ব্যবসা শেষ করে দিয়েছে। এই শোকে আমার ব্যবসার পার্টনার অসুস্থ হয়ে পরেছে। আমি চাই আমার টাকা গুলো উদ্ধার হোক। এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিক পুলিশ প্রশাসন।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘সুস্থ’ থাকবে ইঞ্জিন! বাজারে বিশেষ ‘লুব্রিকেন্ট’ আনল ইন্ডিয়ান অয়েল
-
সরস্বতী নদীর ধারে বেআইনি নির্মাণ, প্রতিবাদ করায় ডোমজুড়ে যুবককে বেধড়ক মার
-
আমেরিকার উপর নজরদারি ইজরায়েলের! গুপ্তচরদের নজর এড়াতে সতর্ক মার্কিন গোয়েন্দারা
-
সাত বছরের অপেক্ষার অবসান, বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে ফের সাফ মহিলা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ভারত
-
তৃণমূল বিধায়কের কার্যালয়ে কন্ডোম, গুদাম থেকে মিলল প্রচুর ত্রাণ! চাঞ্চল্য খণ্ডঘোষে



