US Tariff On India

ভারতের উপর ফের ১২.৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব, যুদ্ধের বাজারে ট্রাম্পের কোপে ৬০টি দেশ

আমেরিকার তরফে এই ধরনের শুল্কের প্রস্তাব এমন সময়ে এল যখন দিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী ২ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত চলা আলোচনার প্রধান লক্ষ্য হল, দুই দেশের বাণিজ্যিক বাধা কমানো এবং শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ১৪:৩২

options
link
ভারতের উপর ফের ১২.৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব, যুদ্ধের বাজারে ট্রাম্পের কোপে ৬০টি দেশ
১২.৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব ভারতের উপর।

ভারতের উপর ফের ১২.৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব আমেরিকার (US Tariff On India)। তবে শুধু ভারত নয়, মার্কিন আইনের ৩০১ ধারাকে হাতিয়ার করে ভারত-সহ মোট ৬০টি দেশের উপর এই শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর। মার্কিন আইন অনুযায়ী, জোরপূর্বক শ্রমের বিনিময়ে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করতেই এই শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া সংকটের মাঝে ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ ভারতের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের।

Advertisement

মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের দাবি অনুযায়ী, যে ৬০টি দেশের উপর ১২.৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ভারত, চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন-সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশ। হোয়াইট হাউসের দাবি, জোরপূর্বক শ্রমিকদের কাজের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে যে দেশগুলি ব্যর্থ হয়েছে এবং যারা এই সংক্রান্ত আইন প্রয়োগে ব্যর্থ তাদের বিরুদ্ধেই এই পদক্ষেপের প্রস্তাব করা হয়েছে। যে দেশগুলি জোরপূর্বক শ্রম-ভিত্তিক আমদানির ওপর পূর্ণ বা আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তাদের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক, এবং যারা এই ধরনের ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করেনি তাদের উপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হতে পারে। যদিও এই প্রস্তাব এখনও আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে। জনমত গ্রহণ ও পর্যালোচনার পরই মার্কিন প্রশাসন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে চিনা আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এই আইন।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, আমেরিকার তরফে এই ধরনের শুল্কের প্রস্তাব এমন সময়ে এল যখন দিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী ২ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত চলা আলোচনার প্রধান লক্ষ্য হল, দুই দেশের বাণিজ্যিক বাধা কমানো এবং শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা। এরই মাঝে এহেন প্রস্তাব নিঃসন্দেহে উদ্বেগের।

Advertisement

উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে আমেরিকা এই বাণিজ্য আইন পাশ করেছিল। আইনের ৩০১ ধারা অনুযায়ী বিদেশি বাণিজ্যিক কার্যকলাপের তদন্ত ও প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের ক্ষমতা পায় মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর। যদি সরকার মনে করে বিদেশে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ অন্যায্য বা মার্কিন বাণিজ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে আমেরিকা সেই দেশের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে চিনা আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এই আইন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.