PoK

পাকিস্তানে বিরক্ত গিলগিট-বালটিস্তান, দখল রাখতে নির্বাচনে জঙ্গিদের লেলিয়ে দিল মুনির

কোনওভাবে নির্বাচনের ফল যাতে বিরুদ্ধে না যায়, তার জন্য সেখানকার সমস্ত বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়েছে। নির্বাচন থেকে সরানো হয়েছে তাঁদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৬, ০১:২১

options
link
পাকিস্তানে বিরক্ত গিলগিট-বালটিস্তান, দখল রাখতে নির্বাচনে জঙ্গিদের লেলিয়ে দিল মুনির

পাক শাসনে বিরক্ত অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালটিস্তান। এই অবস্থায় সেখানেই হতে চলা নির্বাচনে ঘটি উলটে যাওয়ার আশঙ্কায় সন্ত্রাসকে হাতিয়ার মুনির সেনার। নির্বাচনের আগে ব্যাপক দমন-পীড়নের পাশাপাশি লেলিয়ে দেওয়া হল ভয়ংকর জঙ্গিদের। জানা যাচ্ছে, এই প্রদেশগুলির উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে পুরোপুরি ছাড় দেওয়া হয়েছে। এমনকী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করছে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলি।

Advertisement

আগামী ৭ জুন গিলগিট-বালটিস্তানে হতে চলেছে নির্বাচন। কোনওভাবে নির্বাচনের ফল যাতে বিরুদ্ধে না যায়, তার জন্য সেখানকার সমস্ত বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়েছে। নির্বাচন থেকে সরানো হয়েছে তাঁদের। গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এমন কিছু রাজনৈতিক দল যারা আদতে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। যেমন, ১৯৯৭ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি)। এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে এরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ঘুরপথে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামানোর ঘটনা এই প্রথমবার নয়। এর আগে লস্কর-ই-তইবাকে ‘মিল্লি মুসলিম লিগ’ নামে রাজনৈতিক দল হিসাবে নির্বাচন লড়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এখানেও সেই একইপন্থা ব্যবহার করে সেনার তরফে টিএলপি-কে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এমন কিছু রাজনৈতিক দল যারা আদতে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। যেমন, ১৯৯৭ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি)। এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে এরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

কিন্তু কেন গিলগিট-বালটিস্তানে এই দমন-পীড়ন পাক সেনার। আসলে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে পাক শাসনের বিরুদ্ধে সরব। অতীতে বহুবার পাক সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতে দেখা গিয়েছে এখানকার সাধারণ মানুষকে। পরিস্থিতিতে লাগাম টানতে দফায় দফায় বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের উপর দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠেছে সেনার বিরুদ্ধে। এখানে পাক সেনার মূল টার্গেট পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। এই দলের কার্যত সমস্ত শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি তাঁদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সেনা। অর্থাৎ এই অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কায় সেনা ও জঙ্গিকে ব্যবহার করে নির্বাচনকে নিজের দখলে আনতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন সেনাপ্রধান আসিম মুনির।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, বিরোধী নেতাদের দমন করার পাশাপাশি সেনাবাহিনী আরেকটি কৌশল অবলম্বন করেছে, তা হল তাদের পছন্দের প্রার্থীদের দাঁড় করানো। এখানে ৪০৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৭২ জন নির্দল। এই প্রার্থীদের বেশিরভাগই সরকারের হাতের পুতুল, যারা প্রশাসন ও সরকারি ব্যবস্থার পূর্ণ সমর্থনপুষ্ট। এই প্রার্থীরা যাতে জনসমর্থন তার জন্য ঢালাও প্রচার চালানো হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন