সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুহুর্মুহু বোমাবর্ষণ, হানাহানি, রক্তপাত সব কিছুই অব্যাহত। দুবছর পেরিয়ে গেলেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের চিত্রটা খুব একটা পালটায়নি। গত কয়েকমাসে ইউক্রেনে হামলার সংখ্যা বাড়িয়েছে মস্কো। পালটা মার দিচ্ছে কিয়েভও। দক্ষিণ ইউক্রেনের রুশ দখলীকৃত জাপোরিজিয়া অঞ্চলে অগ্নিবর্ষণ করে ইউক্রেনীয় ফৌজ। এই হামলায় এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। রবিবার এমনটাই অভিযোগ জানিয়েছেন এক রুশ আধিকারিক।
জানা গিয়েছে, গত ১২ এপ্রিল, শুক্রবার রাতে জাপোরিজিয়া অঞ্চলের একটি শহরে পরপর আছড়ে পড়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর গোলা। কিয়েভের এই শক্তিশালী হামলায় নিহত হন অন্তত ১৬ জন। আহত হয়েছেন ২০ জন। যাঁদের মধ্যে ১২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে সকলের। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। রবিবার গোটা বিষয়টি টেলিগ্রামে তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাপোরিজিয়ার এক স্থানীয় রুশ আধিকারিক ইয়েভজেনি বালিটস্কি। যদিও এই হামলার বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি ইউক্রেন। ২০২২ সালে সামরিক অভিযান শুরু করার পর ইউক্রেনের কয়েকটি অঞ্চলের দখল নিয়ে নেয় রুশবাহিনী। সেগুলোর মধ্যে এই জাপোরিজিয়া অন্যতম। তবে এই অঞ্চলের পুরোপুরী দখল নিতে পারেনি মস্কো।
[আরও পড়ুন: ‘আরবদের থেকে কোনও আশা নেই’, স্বামীর দেহ ছুঁয়ে আক্ষেপ হামাস প্রধানের পুত্রবধূর]
উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে ইউক্রেনের বন্দরনগরী ওডেসায় আঘাত হেনেছিল রাশিয়া। রুশ বাহিনীর ড্রোন হামলায় ধূলিসাৎ হয়ে যায় একটি বহুতল। প্রাণ হারায় কমপক্ষে ৮ জন। মৃতদের মধ্যে ছিল দুটি শিশুও। যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোডিমির জেলেনস্কি। এই প্রাণহানির জন্য তিনি দুষেছিলেন অস্ত্র সরবরাহের বিলম্ব হওয়াকে। ক্ষোভ উগরে তিনি জানিয়েছিলেন, সঠিক সময়ে অস্ত্র পেলে এই হামলা ঠেকানো যেত। হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যোগ্য জবাব দেওয়ার।
[আরও পড়ুন: কেন ইজরায়েলে হামলা? রাষ্ট্রসংঘকে ‘ব্যর্থ’ তোপ দেগে জানাল ইরান]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর