Bashar Al-Assad

গদিচ্যুত আসাদের স্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত, বাঁচার আশা কতটা?

কয়েকদিন আগেই বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন আসাদের স্ত্রী আসমা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪, ১৭:০২

options
link
গদিচ্যুত আসাদের স্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত, বাঁচার আশা কতটা?
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপদ যেন পিছু ছাড়ছে না সিরিয়ার গদিচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের। বিদ্রোহীদের হাতে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দাম্পত্যেও ফাটল ধরে আসাদের। বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন আসাদের স্ত্রী আসমা। এবার জানা গেল ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত আসমা। তাঁর বাঁচার আশা ৫০ শতাংশ। আপাতত চিকিৎসার মধ্যে রয়েছেন সিরিয়ার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি।

Advertisement

জানা গিয়েছে, প্রথমবার ২০১৯ সালে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন আসমা। এক বছর ধরে চিকিৎসা চলে তাঁর। তারপর নিজেকে ক্যানসারমুক্ত ঘোষণা করেন। কিন্তু ফের একবার মারণরোগ থাবা বসিয়েছে আসমার শরীরে। এবার রক্তের ক্যানসারে ভুগছেন তিনি। সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য এখন আইসোলেশনে রয়েছেন আসমা। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁরা সেরে ওঠার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কয়েকদিন আগেই জানা গিয়েছিল, বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন আসমা। দ্রুত রাশিয়া ছেড়ে ব্রিটেনে চলে যেতে যান তিনি। ৮ ডিসেম্বর সিরিয়ার দখল বিদ্রোহীরা নিলে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়ে রাশিয়ায় পালিয়ে যান আসাদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী আসমা ও তিন সন্তান হাফেজ, জেইন, করিম। তারপর থেকে রাশিয়ার আশ্রয়েই রয়েছেন তাঁরা। আসাদকে কূটনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে মস্কো। কিন্তু তাঁর চলাফেরায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। কিন্তু মস্কোর জীবনযাপন একদমই পছন্দ হচ্ছে না আসমার। রুশ কোর্টের কাছে রাশিয়া ছাড়া অনুমতি চেয়ে বিশেষ আবেদনও করেছেন তিনি। বর্তমানে তাঁর আবেদন খতিয়ে দেখছে রুশ কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

কিন্তু ব্রিটেনেই কেন ফিরতে চান আসমা? ১৯৭৫ সালে লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন আসমা। তাঁর অভিভাবকরা ছিলেন সিরিয়ান। ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কিংয়ে পা রাখার আগে তিনি লন্ডনের কিংস কলেজে কম্পিউটার সায়েন্স এবং ফরাসি সাহিত্যে ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০০০ সালের ডিসেম্বরে আসাদকে বিয়ে করেন আসমা। সেবছরেই বাবা হাফেজ আল-আসাদের মৃত্যু হলে সিরিয়ার মসনদে বসেছিলেন আসাদ। কিন্তু জলঘোলা হতে শুরু করে ২০১১ সালে। আরব বসন্তের হাওয়ায় উত্তাল হয়ে ওঠে মরুপ্রদেশটি। আকাশ বাতাস কেঁপে ওঠে একনায়ক হঠাও, গণতন্ত্র ফেরাও স্লোগানে। শুরু হয়ে যায় গৃহযুদ্ধ। এই লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকেই নাকি আসাদের সাম্রাজ্য ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে লন্ডনে চলে যেতে চেয়েছিলেন আসমা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন