Coronavirus

‘করোনা’ শব্দটা শুনলেই মনে হয় সুন্দর কোনও দর্শনীয় স্থান, মন্তব্য ট্রাম্পের

করোনাকে চিনা ভাইরাস বলেই ডাকতে হবে, অনুগামীদের নির্দেশ মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০, ১৬:২৭

options
link
‘করোনা’ শব্দটা শুনলেই মনে হয় সুন্দর কোনও দর্শনীয় স্থান, মন্তব্য ট্রাম্পের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘‘করোনা নামটা শুনলেই মনে হয় সুন্দর কোনও জায়গা। যেন ইটালির কোনও দর্শনীয় স্থান।’’ এমনই কথা শোনা গেল পেনসিলভ্যানিয়ায় নির্বাচনের প্রচারে আসা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)মুখে। মঙ্গলবার নির্বাচনী সভায় তিনি চিনকে আরও একবার কটাক্ষ করে বললেন, ‘‘এটা চিনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাস (Coronavirus) নয়। ওরা এই নামে ডাকতে চায় না। এটা বন্ধ করা দরকার।’’

Advertisement

করোনা ভাইরাসকে চিনা ভাইরাস (China virus) নামে আগেও একাধিক বার ডেকেছেন ট্রাম্প। গত মার্চেই তিনি দাবি করেছিলেন চিনই নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জন্য দায়ী। সেই সময় থেকেই তিনি কোভিড-১৯-কে চিনা ভাইরাস নামে ডেকে এসেছেন। এমনকী, গত আগস্টেও করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমেরিকা অনেক সংক্রমিতের মৃত্যুকে এড়াতে পেরেছে বলে ঘোষণা করার সময়ও তিনি করোনাকে চিনা ভাইরাস বলে উল্লেখ করেছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনার সঙ্গে ফ্লু, শীতের আগে ‘টুইনডেমিক’ উপসর্গ নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা]

এদিনের নির্বাচনী সভাতেও একই সুর শোনা গিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের গলায়। তিনি তাঁর অনুগামীদের অনুরোধ করেছেন, গোটা পৃথিবীতে সংক্রমণের আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া ভাইরাসকে করোনা ভাইরাস নামে না ডাকতে। কেননা নামটা শুনলে ইটালির কোনও দর্শনীয় স্থান বলে মনে হয়। এদিনের নির্বাচনী সভায় ট্রাম্প দাবি করেন, পুনর্নিবাচিত হয়ে এলে তাঁর প্রশাসন আগামী চার বছরে আমেরিকাকে বিশ্বের এক শক্তিশালী উৎপাদক দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। চিন-সহ অন্যান্য দেশের প্রতি আমেরিকার নির্ভরতা একবারে শেষ করে দেবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সফল চিনের উইঘুর মুসলিমদের নির্মূল করার ছক! বন্ধ্যাত্বকরণের ফলে কমছে জন্মহার]

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম দেখা মেলে কোভিড-১৯-এর। তারপর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে সারা বিশ্বে। শুরু হয় পৃথিবীব্যাপী এক অতিমারীর। এপর্যন্ত সারা বিশ্বে প্রায় ৯ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ মারা গিয়েছেন সংক্রমিত হয়ে। আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ১৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ। কবে এই ভাইরাস থেকে বাঁচার ভ্যাকসিন আসবে আপাতত সেই প্রতীক্ষাতেই গোটা বিশ্ব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.