চন্দ্রযান২

ইউএফও নয়, চন্দ্রযান২! কুইন্সল্যান্ডের আকাশে হঠাৎ দর্শনে ছড়াল উত্তেজনা

হাজারো কুইন্সল্যান্ডবাসীর ক্যামেরাবন্দি হয় দৃশ্যটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৯, ১৫:১৪

options
link
ইউএফও নয়, চন্দ্রযান২! কুইন্সল্যান্ডের আকাশে হঠাৎ দর্শনে ছড়াল উত্তেজনা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছিল রুমাল হয়ে গেল বেড়াল। সোমবার ভর সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের আকাশে একটা রহস্যজনক ছুটন্ত আলো দেখা দিয়েই মিলিয়ে গেল। আর তারপরই শুরু গুজ গুজ ফিসফিস।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চাঁদমামার দেশে জলের সন্ধান, চন্দ্রযানে রয়েছে দু’টি বিশেষ যন্ত্র]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দারা ভেবেছিলেন, বুঝি ভিনগ্রহের কোনও যান হানা দিল তাঁদের দেশে। শেষে দেখা গেল ওই উজ্জ্বল আর রহস্যজনক আলো আদতে ভারতের চন্দ্রযান-২। রকেটের ইঞ্জিনের তীব্র আলোই ওভাবে ধরা পড়েছে কুইন্সল্যান্ডবাসীর চোখে।

Advertisement

মঙ্গলবারই ইসরো ঘোষণা করেছে তাদের চন্দ্রযান ২ সুস্থ শরীরেই ঠিক পথে এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যেই একটি নতুন মাইলফলকও স্পর্শ করেছে। তবে কী সেই মাইলফলক তা না জানিয়ে, কৌতুহল জিইয়ে রেখেছে ইসরো। আর কুইন্সল্যান্ডের এই ব্যাপারটা নজরে আসে সোমবার সন্ধে সওয়া সাতটা নাগাদ। অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বের প্রদেশের কুইন্সল্যান্ডের আকাশে হঠাৎই দেখা দেয় ওই জোরাল আলো। খুব দ্রুত সেই আলো এগোচ্ছিল পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে। তার ধূমকেতুর মতো লম্বা লেজ, উজ্জ্বল সাদা রং। আকাশে প্রায় দু’ থেকে তিন মিনিট দেখা যায় আলোটাকে। আর ওইটুকু সময়ের মধ্যেই হাজারো কুইন্সল্যান্ডবাসীর ক্যামেরাবন্দি হয় দৃশ্যটি।

প্রশ্নটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে ওঠে সাড়ে সাতটা নাগাদ–“কী এটা? ভিনগ্রহের কোনও যান! ইউএফও?” সঙ্গে জুড়ে দেওয়া রহস্যজনক আলোর ছবিটিও। ব্যাস। তারপরই হইচই পড়ে যায় সর্বত্র। অনেকে কুইন্সল্যান্ডের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের দপ্তরেও ফোন করে বিষয়টি জানান। মোবাইলে তোলা ভিডিও-সহ রহস্যময় আলোর ব্রেকিং নিউজ ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। দানা বন্ধে ইউএফও-সম্ভাবনাও। আর তারপরেই হয় রহস্য উদঘাটন। রাত ৮টা ৫১ মিনিটে ঘোষণা করা হয়, ওই রহস্যময় আলো আদতে চন্দ্রযান-২। যা ওইদিনই ভারতীয় সময় দুপুর ২টো ৪৩ মিনিটে রওনা দিয়েছে ভারতের শ্রীহরিকোটা থেকে। অস্ট্রেলিয়ার সময় ভারতের থেকে সাড়ে চারঘণ্টা এগিয়ে। তাই সেই হিসাবে অস্ট্রেলিয়ায় সেই সময় সাতটা ১৩ মিনিট হওয়ার কথা। আর ওই আলো সওয়া সাতটা নাগাদই দেখা যায় কুইন্সল্যান্ডের আকাশে।

রহস্য উদ্ধার করে ভিনগ্রহ নিয়ে উৎসাহীদের আশায় জল ঢেলে দেন যিনি তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন কুইন্সল্যান্ডের অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের অধ্যাপক জন্টি হরনার। তিনি বলেন ওই আলোকে ভিনগ্রহীযান ভাবলে হতাশ হতে হবে। কারণ ওই ধরনের আলো সাধারণত দেখা যায় পৃথিবীকে আবর্তনকারী কোনও রকেটেই। আর ভারত আজই চন্দ্রযান-২ পাঠিয়েছে চাঁদে। সুদূর কুইন্সল্যান্ড থেকে সেই বিরল মুহূর্তই প্রত্যক্ষ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে আশাহত না হয়ে বরং খুশি হওয়া উচিত। কেন না এমন বিরল মুহূর্তের সাক্ষী হওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

[আরও পড়ুন: কারগিলে চক্কর যুদ্ধবিমানের, রকেট লঞ্চারে মুড়ল সীমান্ত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন