Teesta Project

চিনের হাতে বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্প! ‘উদ্বিগ্ন’ দিল্লিকে কী বার্তা দিল বেজিং?

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে প্রথম বিদেশ সফরে চিনে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখনই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ঢাকা-বেজিং কথা হয়েছিল। অন্যদিকে শেখ হাসিনা সরকার এই প্রকল্পের ভার দিয়েছিল ভারতকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ২০:৩৫

options
link
চিনের হাতে বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্প! ‘উদ্বিগ্ন’ দিল্লিকে কী বার্তা দিল বেজিং?
বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পের দিকে নিবিড় নজর থাকবে ভারেতর।

বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) উদ্বেগ বাড়ল ভারতের! সোমবার চিন জানিয়ে দিল, এই বিষয়ে ঢাকাকে সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর তারা। একই সঙ্গে দেশটি জোর দিয়ে বলেছে, বাংলাদেশ ও চিনের এই যৌথ প্রকল্প কোনও তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। বিষয়টি তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্তই থাকা উচিত।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে প্রথম বিদেশ সফরে চিনে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখনই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ঢাকা-বেজিং কথা হয়েছিল। অন্যদিকে শেখ হাসিনা সরকার এই প্রকল্পের ভার দিয়েছিল ভারতকে। তারেক সরকার সেই সিদ্ধান্ত বদলে চিনের দ্বারস্থ। এরপর থেকেই ‘চিকেন নেক’ নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি! যেহেতু তিস্তা অববাহিকা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খুব কাছাকাছি অবস্থিত। ঢাকা-বেজিংয়ের যৌথ উদ্যোগ নিয়ে ভারতের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হল প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও বেজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের উদ্বেগ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, “আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, চিন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়।” তিনি আরও বলেন, “তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। চিন এই প্রকল্পে যথাসাধ্য সাহায্য করতে প্রস্তুত।” পাশাপাশি চিনের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থনীতি, বাণিজ্য, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জনকল্যাণ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়াতে প্রস্তুত বেজিং।

Advertisement

ঢাকা সূত্রে খবর, তিস্তা-সহ বাংলাদেশের নদীগুলোর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ও চিন একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার চায়না একটি সমঝোতাপত্রে (এমওইউ) সই করে, যার মাধ্যমে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া তরান্বিত হয়েছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পের দিকে নিবিড় নজর থাকবে ভারেতর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.