সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহিলারা উন্মুক্ত করেছেন তাঁদের বক্ষযুগল। হাত দিয়ে এমনভাবে তা ধরেছেন যে তা হয়ে উঠেছে হৃদয় আকৃতির। অর্থাৎ হার্ট শেপড। চিনা সোশ্যাল মিডিয়া এখন ভেসে যাচ্ছে এই ধরনের ছবিতেই। নতুন এই বডি চ্যালেঞ্জের নাম দেওয়া হয়েছে- হার্ট শেপড ব্রেস্ট চ্যালেঞ্জ।

সোশ্যাল মিডিয়া নিত্যনতুন হুজুগের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাস্তব থেকে বহুদূরে, কৃত্রিম দুনিয়ায় হরেকরকম চ্যালেঞ্জ মাতিয়ে রাখে নেটিজেনদের। কখনও মাথায় বরফ ঢালা তো কখনওবা অন্য কিছু- এরকম বিষয়কেই চ্যালেঞ্জ আখ্যা দিয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়া। হুজুগে মাতেন ব্যবহারকারীরা। তবে তা যে কোন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে তা দেখালেন চিনা মহিলারা। সেদেশের ভারচুয়াল মিডিয়ায় নয়া চ্যালেঞ্জ বক্ষে হৃদয় দেখানোর। অর্থাৎ স্তনকে হাত দিয়ে এমনভাবে ধরতে হবে যাতে তা হার্ট শেপড দেখায়। প্রথমে এক মহিলা লাইভ স্ট্রিমিং করে দেখান এ ঘটনা। তারপরই তা ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। বহু মহিলাই শামিল হতে থাকেন এই চ্যালেঞ্জে। এখন তা রীতিমতো সুনামির আকার দারণ করেছে। আসলে স্তনের আকৃতি বিভিন্ন মহিলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হয়। তাই স্তনমাত্রই তা যে হার্ট শেপড তার কোনও মানে নেই। তার উপর যাঁদের স্তনের আকৃতি ছোট, তাঁরাও এই আকৃতি আনতে বিপদে পড়ছেন। অন্যদিকে গুরুস্তনীরা সুবিধা পেয়ে যাচ্ছেন। তবে সেখানেও অসুবিধে আছে। প্রপার হার্ট শেপড আনাটা বেশ চাপের। সেটাই চ্যালেঞ্জ। আর লজ্জা বা ছুৎমার্গ ভুলে তাতেই শামিল হয়েছেন বিভিন্ন বয়সি মহিলারা।

সম্প্রতি চিনা এক রেস্তরাঁ মহিলাদের অন্তর্বাসের কাপ সাইজ অনুযায়ী ডিসকাউন্ট ঘোষণা করেছিল। তাতে আপত্তি জানিয়েছিলেন অনেকেই। যদিও রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষর সাফাই ছিল, মহিলারা কিন্তু এতে লজ্জা পাচ্ছেন না। অনায়াসে এসে তাঁদের কাপ সাইজ বলছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার এই চ্যালেঞ্জ অন্তত প্রমাণ করে দিল, খুব ভুল বলেননি রেস্তরাঁর মালিক। যেভাবে হৃদয়ের আকার দেখাতে নিজেদের বক্ষ উন্মুক্ত করেছেন সাধারণ চিনা মহিলারা তা বিস্মিতই করেছে দুনিয়াকে।

সর্বশেষ খবর
-
‘অন্তর্কলহ’ বিতর্কে চাপে জ্ঞানেশ কুমার, এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় স্বস্তি কন্যা মেধার
-
স্থলভাগে প্রবেশ অতিগভীর নিম্নচাপের, বঙ্গের ৬ জেলায় কমলা সতর্কতা, কবে কমবে বৃষ্টি?
-
আলপনা, জোগাড়, ধুনুচি নাচেই সীমাবদ্ধ! পুজোয় পৌরোহিত্যে কেন পিছিয়ে নারীরা?
-
‘ইটস ডান ব্রো’, কমিশনের অন্তর্কলহে জ্ঞানেশকে তোপ দীপকের, ফের বিক্ষোভের ছক ‘আরশোলা’দের!
-
‘কোচিং জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’, বৈভবকে সুযোগ দিয়ে সারারাত আক্ষেপ করেন গম্ভীর!