যুদ্ধের ঘনঘটা
US-Israel Attack Iran

কুর্দ বিদ্রোহীদের অস্ত্র দিয়ে মদত সিআইএ-র, এবার ইরানে গৃহযুদ্ধ বাধানোর ছক আমেরিকার!

প্রশ্ন হল, কোন শর্তে ওয়াশিংটনের কথা শুনবে কুর্দরা? বিনিময়ে কী তারা ইরানে স্থায়ী ঠিকানা পাবে? উত্তর এখনও অস্পষ্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৬, ১৬:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৬, ১৬:০৬

options
link
কুর্দ বিদ্রোহীদের অস্ত্র দিয়ে মদত সিআইএ-র, এবার ইরানে গৃহযুদ্ধ বাধানোর ছক আমেরিকার! zoom
কুর্দ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

আকাশপথে ইরানে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা ও ইজরায়েল (US-Israel Attack Iran)। এর মধ্যেই খামেনেইর উত্তরসূরিদের দুর্বল করতে গৃহযুদ্ধ বাধানোর ছক কষছে আমেরিকার গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ! এর জন্য পশ্চিম ইরানের কুর্দ বাহিনীকে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে খবর। তাদের অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করবে ওয়াশিংটন। কুর্দ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার ট্রুথ সোশালের পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যৌথ হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী এবং শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু স্থলপথে তারা আক্রমণ চালাবেন না। সেই কাজেই কুর্দ বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে! প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ইরানের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁততে আমেরিকার সাহায্য চেয়েছে কুর্দদের সশস্ত্র বাহিনীর। সম্ভবত সিআইএ অস্ত্র দিয়ে তাদের সাহায্য করবে। মার্কিন ওয়েবসাইট ‘অ্যাক্সিওস’ একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছে, কুর্দদের দুই প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, কুর্দরা পশ্চিম এশিয়ার বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। তাদের নিজস্ব কোনও দেশ নেই। মূলত তুরস্ক, সিরিয়া, ইরাক এবং ইরান— এই চারটি দেশে ছড়িয়েছিটিয়ে থাকেন কুর্দরা। ইরাকের আধা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান থেকেই নিজেদের কাজকর্ম পরিচালনা করে থাকে কুর্দদের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি। এলাকা ইরান সীমান্তের গা ঘেঁষা। ফলে চাইলেই কুর্দ বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি ইরানের বর্তমান শাসকদের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। আমেরিকা চাইছে সব দিকে আক্রমণ চালিয়ে ইরানের বর্তমান শাসকদের নাস্তানাবুদ করতে। সেই কারণেই কুর্দদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা সিআইএর। প্রশ্ন হল, কোন শর্তে ওয়াশিংটনের কথা শুনবে কুর্দরা? বিনিময়ে কী তারা ইরানে স্থায়ী ঠিকানা পাবে? উত্তর এখনও অস্পষ্ট।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement