সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৬১৩ দিন। অর্থাৎ প্রায় দেড় বছর। এই দীর্ঘ সময় ধরে এক বৃদ্ধের শরীর কুরে কুরে খেয়েছিল করোনা ভাইরাস। ২০২৩ সালে মৃত ওই ব্যক্তি সম্পর্কে গবেষণা চালাচ্ছিলেন গবেষকরা। এবার তাঁরা জানালেন, নেদারল্যান্ডসের সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধের শরীরে ৫০ বারেরও বেশি মিউটেশন ঘটিয়েছিল ঘাতক ভাইরাস!
৭২ বছরের মৃত ওই বৃদ্ধের নাম অবশ্য প্রকাশ করা হয়নি গবেষণাপত্রে। আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে একদল গবেষক এই গবেষণা সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করবেন আগামী সপ্তাহে বার্সেলোনায় ইএসসিএমআইডি গ্লোবাল কংগ্রেসে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে করোনা আক্রান্ত হন ওই ব্যক্তি। কুড়ি মাস পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
জানা গিয়েছে, আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই ওই ব্যক্তির শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে থাকে। গবেষণা বলছে, আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ওই বৃদ্ধের শরীরে লাগাতার মিউটেশন চালিয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাস (COVID-19)। সব মিলিয়ে ৫০ বারেরও বেশি। এর আগে এক ব্রিটিশ ব্যক্তি ৫০৫ দিন ধরে সংক্রমিত থাকার পরে মারা যান। সেই রেকর্ডও পেরিয়ে গেলেন নেদারল্যান্ডসের ওই ব্যক্তি।
[আরও পড়ুন: প্রাগৈতিহাসিক! ভারতের মাটিতে মিলল বিশ্বের ‘দীর্ঘতম’ সাপের জীবাশ্ম]
গবেষকরা জানাচ্ছেন, কোভিড টিকার একাধিক ডোজ নিয়েছিলেন বৃদ্ধ। তবুও ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্টে আক্রান্ত হন তিনি। দ্রুত ভেঙে পড়তে থাকে শরীর। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যেতে থাকে। চিকিৎসা চললেও ভাইরাসকে দমানো যায়নি। এমনকী সত্রোভিমাবের মতো অ্যান্টিবডি চিকিৎসাতেও কাজ হয়নি। গবেষকরা বলছেন, সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের এই দৌরাত্ম্য বুঝিয়ে দিচ্ছে ভাইরাসটির গতিবিধি সব সময় নজরে রাখা দরকার। তা কীভাবে মিউটেশন ঘটাচ্ছে, সেদিকে খেয়াল রাখলে তবে পুরোপুরি সতর্ক থাকা সম্ভব হবে বলেই মত গবেষকদের।
[আরও পড়ুন: নারায়ণমূর্তির পাঁচ মাসের নাতিও ধনকুবের! শেয়ার বাজার থেকেই আয় হল ৪.২ কোটি]
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ
-
৭০ লক্ষ টাকা ‘তোলাবাজি’, গ্রেপ্তার ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
-
ট্রাম্পের রোষে কঙ্গোর সুপার ফ্যান! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না মিচেল
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?