বাংলাদেশে আছড়ে পড়ল সাইক্লোন ‘মোরা’, ঘরছাড়া লক্ষাধিক মানুষ

ত্রাণকেন্দ্র, হোটেল-সহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া মানুষজন তীব্র আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৭, ০৫:১৮

options
link
বাংলাদেশে আছড়ে পড়ল সাইক্লোন ‘মোরা’, ঘরছাড়া লক্ষাধিক মানুষ
ছবি: প্রতীকী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আবহাওয়া দপ্তরের তরফে সতর্কতা আগে থেকেই জারি করা হয়েছিল। পূর্বাভাস মতোই বাংলাদেশের বুকে আছড়ে পড়ল সাইক্লোন মোরা। সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সকাল ৬টা নাগাদ কক্সবাজার এবং চট্টোগ্রামের উপকূলর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসে মোরা। উপকূলবর্তী সমস্ত বাড়ি খালি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে ইতিমধ্যেই নিরাপদস্থানে নিয়ে আসা হয়েছে।

Advertisement

ঝড়ের আশঙ্কায় সোমবারই প্রায় ৩ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে আনা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দলের মুখপাত্র আবুল হাশিম জানান, ঘূর্ণিঝড়ে যাতে কোনও প্রাণহানি না ঘটে, তার জন্যই অগ্রিম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সবরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে উদ্ধারকারী দল।

[প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, প্রথম হুগলির অর্চিষ্মাণ]

এদিন সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সাইক্লোন কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় মোরা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে। যা আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। থাকছে বৃষ্টি সম্ভাবনাও। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে আসতে বলা হয়েছে।

[জড়তা কাটিয়ে দেশবাসীকে জওয়ানদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান গম্ভীরের]

ঘূর্ণিঝড় মোরায় সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে। এলাকায় বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে বহু গাছপালা। সেন্টমার্টিন দ্বীপের ইউপির সদস্য হাবিবুর রহমান খান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ভোররাত চারটের পর থেকে সেন্টমার্টিন লন্ডভন্ড হতে শুরু করে। বেশি ক্ষতিগ্রস্থ কুঁড়ে ঘরগুলি। বেশির ভাগ ঘরের চালা উড়ে গিয়েছে। ত্রাণকেন্দ্র, হোটেল-সহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া মানুষজন তীব্র আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এর আগে তাঁরা কখনও এমন ভয়াবহ ঝড় দেখেননি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.