Benjamin Netanyahu

‘সম্পূর্ণ ধ্বংস চাই’, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি স্তব্ধ করতে আমেরিকাকে বার্তা নেতানিয়াহুর

তেহরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আপত্তি তুলে ইতিমধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার নানা প্রান্তে সামরিক গতিবিধি বাড়িয়েছে আমেরিকা। যার জেরে যুদ্ধ পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। এই টানাপড়েনে লাগাম টানতে বৈঠকেও বসেছে দু’দেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৩:১৯

options
link
‘সম্পূর্ণ ধ্বংস চাই’, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি স্তব্ধ করতে আমেরিকাকে বার্তা নেতানিয়াহুর
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি স্তব্ধ করতে আমেরিকাকে বার্তা নেতানিয়াহুর। নিজস্ব চিত্র

পরমাণু চুক্তির লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহেই আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে ইরান (US-Iran Nuclear Deal)। সেই আলোচনার ঠিক আগেই এবার আমেরিকার উদ্দেশে বার্তা দিল ইজরায়েল। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) জানালেন, সম্ভাব্য সমঝোতায় ইরানের পরমাণু কার্যকলাপ সম্পূর্ণ ধ্বংস করার বিষয়টি অনিবার্যভাবে থাকা উচিত। শুধুমাত্র ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ করাই যথেষ্ট হবে না বরং সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেয় এমন সব সরঞ্জাম ও অবকাঠামো নির্মুল করতে হবে।

Advertisement

গত রবিবার আমেরিকায় এক ইহুদি সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি প্রসঙ্গে মুখ খোলেন নেতানিয়াহু। বলেন, এই চুক্তি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে তাঁর। ইরান থেকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের যাবতীয় উপকরণ সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ক্ষমতা থাকাই উচিত নয়। শুধু বন্ধ নয়, সমৃদ্ধকরণের জন্য ব্যবহৃত যাবতীয় সরঞ্জাম ও অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া উচিত। ইজরেয়েলের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, পরমাণু চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনায় এই বিষয়টিকে যাতে আমেরিকা প্রাধান্য দেয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ক্ষমতা থাকাই উচিত নয়। শুধু বন্ধ নয়, সমৃদ্ধকরণের জন্য ব্যবহৃত যাবতীয় সরঞ্জাম ও অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, তেহরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আপত্তি তুলে ইতিমধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার নানা প্রান্তে সামরিক গতিবিধি বাড়িয়েছে আমেরিকা। যার জেরে যুদ্ধ পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। এই টানাপড়েনে লাগাম টানতে বৈঠকেও বসেছে দু’দেশ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সমঝোতা হয়নি। তার মধ্যেই মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র আসুক, আমেরিকা তা কখনই চায় না। ওয়াশিংটনের আশঙ্কা, এতে আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা নষ্ট হবে। প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে গোটা বিশ্বেরই নিরাপত্তা। তবে ট্রাম্প কূটনৈতিক পথেই সমাধানের কথা ভাবছেন বলে জানান রুবিও।

Advertisement

এই অবস্থায় সুর নরম করে আলোচনার বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রী মজিদ তখত-রাভানচি সংবাদমাধ্যম বিবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আপাতত বল আমেরিকার কোর্টে। ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা যদি সত্যিই দু’দেশের মধ্যে টানাপড়েনে লাগাম টানতে চান, তাহলে সেটা তাদের প্রমাণ করতে হবে। মজিদের কথায়, “ওরা যদি এ ব্যাপারে আন্তরিক হয়ে থাকে, তাহলে আমরাও সমঝোতার পথে হাঁটতে তৈরি।” জানা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহেই আলোচনায় বসতে চলেছে দুই দেশ। তার আগেই এবার বার্তা এল ইজরায়েলের তরফে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন