Donald Trump

‘মোদি আমার বন্ধু, শাস্তি দিয়েছি’, বাণিজ্যচুক্তি আলোচনার মাঝেই শুল্কবাণ নিয়ে আজব যুক্তি ট্রাম্পের

ফোনে মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫, ১০:০৬

options
link
‘মোদি আমার বন্ধু, শাস্তি দিয়েছি’, বাণিজ্যচুক্তি আলোচনার মাঝেই শুল্কবাণ নিয়ে আজব যুক্তি ট্রাম্পের
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদি বন্ধু। তা সত্ত্বেও ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়েছেন! সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমন কথাই বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করতে গিয়েই ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে। কিন্তু ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভালো বলেই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement

বর্তমানে ব্রিটেন সফরে গিয়েছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তেলের দাম কমে গেলেই যুদ্ধের পথ থেকে সরবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেকারণেই ভারতের উপর শাস্তিমূলক অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ কর চাপিয়েছে আমেরিকা। সাংবাদিক সম্মেলনেই ট্রাম্প বলেন, “আপনারা তো জানেনই, আমি ভারতের খুবই ঘনিষ্ঠ। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তাঁকে ফোন করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। উনিও খুব সুন্দর বার্তা দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও আমি ভারতকে শাস্তি দিয়েছি।”

Advertisement

উল্লেখ্য, শুল্ক জটিলতা কাটার পথে বেশ খানিকটা এগিয়েছে ভারত-আমেরিকা। মঙ্গলবার দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রকের তরফে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনার কথা জানানো হয়। সোমবারই ভারতে এসেছেন আমেরিকার অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডন লিঞ্চ। মঙ্গলবার বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয় তাঁর। বৈঠক শেষে দু’দেশের তরফেই জানানো হয়েছে, আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে।

Advertisement

তারপরই ফোন করে মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পালটা ‘বন্ধু’ ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদিও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন সমস্যার সমাধানে আমেরিকা যে উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সেটাকে সমর্থন করবে। পুরো বিষয়টি ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.