যুদ্ধের ঘনঘটা
America Iran War

‘শর্ত নাপসন্দ’, ইরান সমঝোতা চাইলেও হামলা থামতে নারাজ ‘যুদ্ধবাজ’ ট্রাম্প!

কেন আমেরিকা ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে যেতে নারাজ তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১৯:২৯

options
link
‘শর্ত নাপসন্দ’, ইরান সমঝোতা চাইলেও হামলা থামতে নারাজ ‘যুদ্ধবাজ’ ট্রাম্প!
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে গোটা পশ্চিম এশিয়া। হরমুজ বন্ধে গোটা বিশ্বে তেলের হাহাকার চরম আকার নিয়েছে। তবে এতকিছুর পরও ইরানের বিরুদ্ধে থামতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানালেন, ‘ইরান আমাদের সঙ্গে চুক্তি করতে চায়, তবে আমরা চাই না।’ কেন আমেরিকা ইরানের (America Iran War) সঙ্গে চুক্তিতে যেতে নারাজ তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement

শনিবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ইরান আমাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে চাইছে। কিন্তু আমি এটা করতে চাই না। কারণ ওদের চুক্তির শর্ত আমার ঠিক পছন্দ নয়। যদি ওরা যুদ্ধ থামাতে চায় তবে ওদের চুক্তিতে এই শর্ত যুক্ত করতে হবে যেখানে লেখা থাকবে, ইরান পরমাণু সংক্রান্ত উচ্চাশা থেকে পুরোপুরি পিছু হটছে।” অর্থাৎ বার্তা স্পষ্ট যে ইরান চাইলেও যুদ্ধ থামাতে নারাজ আমেরিকা। যার অর্থ অনির্দিষ্টকালের জন্য জারি থাকছে ইরান যুদ্ধ।

Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ইরান আমাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে চাইছে। কিন্তু আমি এটা করতে চাই না। কারণ ওদের চুক্তির শর্ত আমার ঠিক পছন্দ নয়।”

এদিকে ইরানকে তছনছ করতে ও হরমুজকে মুক্ত করতে শনিবার মিত্রশক্তিদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘একাধিক দেশ, বিশেষ করে যারা হরমুজ প্রণালী বন্ধে ক্ষতিগ্রস্ত তারা আমেরিকাকে সাহায্য করবে। এবং ওই জলপথ খুলতে যুদ্ধ জাহাজ পাঠাবে। আমরা ইতিমধ্যেই ইরানের সামরিক ক্ষমতা ১০০ শতাংশ নষ্ট করে দিয়েছি। তারপরও ওরা যতই পরাজিত হোক না কেন, ওই জলপথে ওদের পক্ষে দু’একটি ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলা চালানো অস্বাভাবিক নয়।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আশা করি চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন যারা হরমুজ বন্ধের জেরে প্রভাবিত তারা ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাবে।’

Advertisement

উল্লেখ্য, আমেরিকা ও ইজরায়েল বারবার দাবি করেছে ৬০ শতাংশ পরিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম তৈরির কাজে সফল হয়েছে ইরান। যা শান্তিপূর্ণ ইউরেনিয়াম কর্মসূচির চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক। যদিও ইরান শুরু থেকেই দাবি করে এসেছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। এই ডামাডোলের মাঝেই গত বছর ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। ট্রাম্পের বার্তা ছিল, নয়া পরমাণু চুক্তিতে আসতে হবে ইরানকে। শুধু তাই নয়, ব্যালেস্টিক মিসাইল কর্মসূচিও বন্ধ করতে হবে ইরানকে। আমেরিকার এই দাবি মানেনি ইরান। যার জেরেই শুরু হয়েছে যুদ্ধ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.