US-Iran Talks

সমস্ত ইউরেনিয়াম আমেরিকাকে সঁপে দিচ্ছে ইরান! ট্রাম্পের দাবিতে কী বলল তেহরান?

ইরানের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাদের বৈধ অধিকার। সেই অধিকারের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৯:৫৯

options
link
সমস্ত ইউরেনিয়াম আমেরিকাকে সঁপে দিচ্ছে ইরান! ট্রাম্পের দাবিতে কী বলল তেহরান?
যুদ্ধ ছেড়ে অবশেষে আলোচনাতেই শান্তি খুঁজছে ইরান-আমেরিকা।

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার (US) হাতে তুলে দিতে রাজি হয়েছে ইরান (Iran)। দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের (Talks) আগেই এমনই দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সে দাবি খারিজ করল ইরান। স্পষ্ট ভাষায় i

Advertisement

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, “ইরান তাদের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে। ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দেবে। এর জেরে দু’পক্ষের মধ্যে ছয় সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি আমরা।” তবে ট্রাম্পের সেই দাবির পালটা এদিন মুখ খোলে ইরান। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, আমেরিকা যে দাবি করছে তার কোনও ভিত্তি নেই।

Advertisement

বাঘেইয়ের কথায়, ”শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের অধিকার কোনও বহিরাগত শক্তির অনুগ্রহ নয়, যে সংঘাতের সময়ে প্রত্যাহার করা হবে। যতদিন ইরান এনপিটি-র সদস্য থাকবে, ততদিন এই চুক্তির সমস্ত বিধানের পূর্ণ সুবিধা তার পাওয়া উচিত।” পাশাপাশি পাকিস্তানে শান্তি বৈঠকে ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যে কোনও সম্ভাব্য চুক্তির জন্য তার পরিকাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। মৌলিক শর্তগুলো প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ ও শান্তির মতো সংবেদনশীল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার কোনও অর্থ নেই।”

Advertisement

‘শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের অধিকার কোনও বহিরাগত শক্তির অনুগ্রহ নয়, যে সংঘাতের সময়ে প্রত্যাহার করা হবে’, বার্তা ইরানের।

উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার অভিযোগ, ইরান গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে। বেআইনিভাবে ৬০ শতাংশের বেশি সমৃদ্ধ করা হয়েছে ইউরেনিয়ামকে যা অস্ত্র তৈরির শামিল। অভিযোগ, এমনই সমৃদ্ধ কয়েকশো কিলো ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে তাদের কাছে। ইরানের এই পরমাণু কর্মসূচি গোটা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য বিপজ্জনক বলে দাবি করেছে আমেরিকা। যার জেরেই সরাসরি শুরু হয়েছে যুদ্ধ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.