Donald Trump

সোলেমানির মৃত্যুর বদলা নেবে ইরান! খুন হওয়ার আশঙ্কায় কী নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প?

তেহরানের উপর সর্বাধিক চাপ দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫, ১৭:২৮

options
link
সোলেমানির মৃত্যুর বদলা নেবে ইরান! খুন হওয়ার আশঙ্কায় কী নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের একবার আমেরিকার প্রেসিডেন্টের গদিতে বসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই কী এবার কাশেম সোলেমানির মৃত্যুর বদলা নিতে ছক কষছে ইরান? কারণ ট্রাম্পের আশঙ্কা তাঁকে খুন করতে পারে ইরান। আর তেমনটা হলে ইসলামিক দেশটিকে ধ্বংস করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তেহরানের উপর সর্বাধিক চাপ দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। 

Advertisement

গত বছর নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রাণঘাতী হামলা হয় ট্রাম্পের উপরে। কান ছুঁয়ে গুলি বেরিয়ে যায়। সেই ঘটনাতেও ইরানের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। এবার ফের একাবার তেহরানের ষড়যন্ত্র নিয়ে কথা বললেন ট্রাম্প। মার্কিন আধিকারিকদের উদ্দেশে বুধবার তিনি বলেন, “ইরান যদি তাঁকে হত্যার চেষ্টা করে তাহলে গোটা দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। ইরানকে রেয়াত করা হবে না। তেহরানের উপর সর্বাধিক চাপ প্রয়োগ করা হবে। আমি সকলকে নির্দেশ দিয়ে রাখছি।”

Advertisement

ট্রাম্পের সঙ্গে যে ইরানের সম্পর্ক মোটেই ভালো নয় তা কারও অজানা নয়। ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ‘কাডস ফোর্স’-এর কমান্ডার জেনারেল কাশেম সোলেমানির মৃত্যু হয়। তাঁর সঙ্গেই প্রাণ হারান PMF-এর ডেপুটি কমান্ডার আবু মেহদি আল-মুহানদিস ও বিমানবন্দরের প্রোটোকল অফিসার মহম্মদ রেদা-সহ আটজন। অভিযোগ, এই হামলার জন্য দায়ী তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও অন্য মার্কিন আধিকারিকরা। ট্রাম্পের নির্দেশেই খুন করা হয়েছে সোলেমানিকে। এই অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও দাবি করেছে ইরান। প্রসঙ্গত, তেহরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলের পরমাণু চুক্তি থেকে আমেরিকাকে সরিয়ে আনার পর থেকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাত বাড়ে। তার মাঝেই আগুনে ঘি ঢালে সোলেমানির মৃত্যু।

Advertisement

এই মুহূর্তে গাজা যুদ্ধ নিয়েও আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সংঘাত তৈরি হয়েছে। ওয়াশিংটনে রয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁকে পাশে নিয়েই আজ ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকা গাজার দখল নেবেই। প্যালেস্তিনীয়দের অন্যত্র পুনর্বাসিত করার পরে আমরা গাজার উন্নতি করব, সংস্কার করব। গাজায় যে বোমা, বিস্ফোরক রয়েছে সেগুলো সব ধ্বংস করব। এরপর সেখানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আর্থিক উন্নয়ন ঘটাব। মানুষের মাথার ছাদ তৈরি করব। আমরা গাজা জয় করবই।”

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প গাজা নিয়ে যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তা মোটেই ভালোভাবে নেবে না ইরান। গাজায় জেহাদের কোমর ভেঙে দখল নিয়ে নেওয়া মানে পরমাণু শক্তিধর তেহরানকেও বার্তা দেওয়া। কারণ হামাস, লেবাননের হেজবোল্লা, ইয়েমেনের হাউথিদের মদত দেওয়া, অস্ত্র জোগানোর অভিযোগ রয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে। ফলে ইজরায়েলের ছায়ায় থেকে এবার সরাসরি যুদ্ধে নামতে পারে আমেরিকাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.