Donald Trump

‘নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি’, তেহরান ‘জয়ে’র ঘোষণা করেও ইরানের কাছে সেনা মোতায়েন ট্রাম্পের

তাহলে কি ইরানের উপর আবারও হামলা চালাবে আমেরিকা? নাকি এবার ট্রাম্পের হিটলিস্টে যোগ হয়েছে নতুন কোনও শত্রু?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ২০:৩৭

options
link
‘নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি’, তেহরান ‘জয়ে’র ঘোষণা করেও ইরানের কাছে সেনা মোতায়েন ট্রাম্পের
ফাইল ছবি।

একবার তাঁর ঘোষণা, ইরানে যুদ্ধ জিতে গিয়েছেন। খানিক পরেই তিনি বলছেন, এখনও ইরানের কাছাকাছিই ওঁত পেতে বসে থাকবে মার্কিন সেনা। তবে পরবর্তী যুদ্ধের জন্য এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার পর বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, তাহলে কি ইরানের উপর আবারও হামলা চালাবে আমেরিকা? নাকি এবার ট্রাম্পের (Donald Trump) হিটলিস্টে যোগ হয়েছে নতুন কোনও শত্রু?

Advertisement

বৃহস্পতিবারই মার্কিন যুদ্ধসচিব পিট হেগসেথ দাবি করেন, “অপারেশন এপিক ফিউরি ছিল রণক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ও অপ্রতিরোধ্য বিজয়।” সেই মন্তব্যে সহমত পোষণ করেন ট্রাম্পও। কিন্তু তারপরেই নিজের সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জানিয়েছেন, ‘আমেরিকার সমস্ত যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং সেনা যেখানে ছিল সেখানেই মোতায়েন থাকবে। সমস্ত অস্ত্রশস্ত্রও থাকবে তাদের হাতে।’ ট্রাম্পের মতে, আহত শত্রুকে পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য় মার্কিন সেনা সর্বদা সতর্ক থাকছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলিকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, হরমুজ রক্ষার্থে সেনা পাঠানোর জন্য।

Advertisement

ইরান যুদ্ধের আগেই ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছিল মার্কিন সেনা। সেসময়ে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, কিউবারও একই দশা করবেন। তাহলে কি সেটার প্রস্তুতি নিচ্ছে তাঁর দেশ?

এখানেই শেষ নয়। ট্রাম্পের হুঙ্কার, ‘আমাদের সেনা আপাতত বিশ্রাম নিচ্ছে। তবে বিশ্রাম বলা ভুল, আসলে প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরের যুদ্ধটার জন্য় আমরা মুখিয়ে রয়েছি।’ ট্রাম্পের এই মন্তব্য কি আবারও ইরানকে নিশানা করে? সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ ফুরোলেই আবারও তেহরান লক্ষ্য করে আক্রমণ শানাবে মার্কিন ফৌজ? নাকি অন্য কোনও দেশকে নিশানা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের আগেই ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছিল মার্কিন সেনা। সেসময়ে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, কিউবারও একই দশা করবেন। তাহলে কি সেটার প্রস্তুতি নিচ্ছে তাঁর দেশ?

Advertisement

প্রসঙ্গত, যুদ্ধের শুরু থেকেই পরস্পর বিরোধী বিবৃতি দিয়েছে আমেরিকা। কখনও বলেছে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করাই উদ্দেশ্য, কখনও বলেছে তারা চায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালায় আমেরিকা।যদিও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর উপর ইরানের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি ভাবনার মধ্যেই ছিল না ওয়াশিংটনের। যার ফলে নাকানিচোবানি খেতে হয়েছে তাদের। ফলে বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করছেন, হুঙ্কার দিলেও ট্রাম্প আর যুদ্ধের দিকে ঝুঁকবেন না আপাতত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.