ভেনেজুয়েলার পরে এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজরে কিউবা। তিনিজানিয়েছেন কিউবার সরকারের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, কমিউনিস্ট শাসিত এই দ্বীপরাষ্ট্রের তেলের সরবরাহ বন্ধের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
শনিবার রাতে ফ্লোরিডা যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের এই কথা বলেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে ভেনেজুয়েলা এবং মেক্সিকো থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপে নেন তিনি। তিনি শনিবার বলেন, এই কারণেই আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে কিউবা।
কিউবা প্রসঙ্গে তিনি আসলে কী করতে চান তা এখনও অস্পষ্ট। তবে জানুয়ারির শুরুতে ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোকে বন্দী করার পর কিউবার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ দেশগুলির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালন করছেন তিনি। ট্রাম্প ভবিষ্যৎবাণী করেছেন, দ্রুত ভেঙে পড়বে কিউবার সরকার।
যদিও, শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানাননি কিউবা সরকারের সঙ্গে আলোচনা কোন স্তরে রয়েছে। গত সপ্তাহে, কিউবাতে তেল বিক্রি বা সরবরাহকারী দেশগুলির যেকোনও পণ্যের উপর শুল্ক আরোপের জন্য একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প। এই পদক্ষেপ মেক্সিকোর উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। কারণ, ভেনেজুয়েলার পরে মেক্সিকোর উপর তেলের জন্য নির্ভরশীল হয়ে পড়ে কিউবা।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এর ফলে মানবিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, কিউবাকে সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন পথের খোঁজ চালিয়ে যাবেন তিনি। যদিও এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এর ফলে মানবিক সমস্যা তৈরি হবে না। তার বদলে কিউবা আসবে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা করতে এবং এরফলে কিউবা আবার স্বাধীন হবে।
কিছুদিন আগেই কিউবাকে চরম হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে শীঘ্রই চুক্তি করতে হবে হাভানাকে। কথার অমান্য করলে পরিণতি হবে ভয়ংকর। পাশাপাশি, তিনি ঘোষণা করেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল আর কিউবাতে প্রবাহিত হবে না। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যে স্পষ্ট যে তাদের পরবর্তী লক্ষ কিউবা।
অন্যদিকে, ট্রাম্পকের হুমকি ফুৎকারে উড়িয়ে দেয় কিউবা। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী ব্রুনো রডরিগেজ বলেন, “যে কোনও কিউবার দেশ থেকেই জ্বালানি আমদানি করার অধিকার কিউবার রয়েছে। আমেরিকার একতরফাভাবে বলপ্রয়োগ করার সংস্কৃতি আমরা মানব না।” কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল সমাজমাধ্যমে বলেন, “যারা সবকিছুকে ব্যবসায় পরিণত করে, এমনকী মানুষের জীবনকেও, তাদের কিউবার দিকে আঙুল তোলার কোনও নৈতিক অধিকার নেই। কারও হুমকিতে আমরা মাথা নত করব না”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
১৯৯০ থেকে বেপাত্তা সেনা জওয়ান স্বামী, ৩৬ বছর পর অপহরণের অভিযোগ দায়ের স্ত্রীর!
-
ফের ইন্ডিগোর বিমানে বিপত্তি, এবার বেঙ্গালুরুতে অবতরণের সময় লেজে আঘাত! কেমন আছেন যাত্রীরা?
-
আপাতত স্থগিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, বৈঠকে রফাসূত্র মিলতেই ঘোষণা কর্মী সংগঠনের, স্বস্তিতে আমজনতা
-
আরটিআইয়ের বাইরে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, নির্দেশিকা জারি করেও বাতিল, বিরোধিতার মুখে পিছু হটলেন বিজয়
-
দর্শকদের না-পসন্দ! এবার ‘বিস বস বাংলা’ থেকে ছিটকে গেলেন তাপসকন্যা সোহিনী