সীমিত সহায়তা করলেও ইরান যুদ্ধে পুরোপুরি আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ব্রিটেন। সেই কারণেই এবার কিয়ের স্টারমারের দেশের উপর ক্ষিপ্ত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সাফ জানালেন, ব্রিটেন-সহ সে সমস্ত দেশ ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযানে সহায়তা করেনি, তারা নিজের তেল নিজে আনুন।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরানের শিরচ্ছেদ করতে যে সমস্ত দেশ আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি তারা হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে নিজেদের তেল নিয়ে আসুন। অথবা আমেরিকার থেকে কিনুন।’ ‘বন্ধু’ দেশগুলির প্রতি হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, ‘আপনারা নিজেরা লড়াই করতে শিখুন। এবিষয়ে আমেরিকা আর আপনাদের সাহায্য করবে না।’ ট্রাম্পের সংযোজন, ‘হরমুজ অবরুদ্ধ থাকার কারণে ব্রিটেন-সহ বহু দেশই তেল পাচ্ছে না। একইসঙ্গে তারা ইরান যুদ্ধে আমেরিকার পাশেও দাঁড়ায়নি। এখন আপনাদের কাছে দু’টি বিকল্প রয়েছে। হয় আপনারা আমেরিকার থেকে তেল কিনুন অথবা বুকে সাহস জুগিয়ে হরমুজ পেরিয়ে নিজেদের তেল নিজেরা আনুন।’
উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জলপথ হরমুজ। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মাঝামাঝি অবস্থিত এই সংকীর্ণ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। এটি বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপথে সরবরাহ হওয়া মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক পঞ্চমাংশ। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, বাহরিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এই প্রণালির মাধ্যমে তেল রপ্তানি করে থাকে। তেলের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস—বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এই পথ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে পৌঁছায়। কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ। তারা হরমুজের মাধ্যমে গ্যাস রপ্তানির ওপরেই নির্ভরশীল। এই সব কারণেই হরমুজকে ‘বিশ্বের জ্বালানির লাইফলাইন’ বলা হয়। ভারত, চিন, রাশিয়া, ইরাক এবং পাকিস্তানকে ‘ছাড়পত্র’ দিয়ে বাকি দেশগুলির জন্য হরমুজ বন্ধ করে রেখেছে ইরান। ফলে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট।
সর্বশেষ খবর
-
‘বান্ধবী’ কোমলের সঙ্গে বিমানবন্দরে গোবিন্দা! সুনীতার খোঁচা ‘ওঁর মতিভ্রম হয়েছে’
-
বিএনপি-র মহাসচিব থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি! দৌড়ে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
-
মার্কিন আদালতে খারিজ জালিয়াতি-ঘুষের মামলা, ‘আস্থা হারাইনি’, স্বস্তি পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আদানির
-
‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের
-
পুলিশি সুরক্ষাতেও রক্ষা নেই! রাতে জনতার ‘তাড়া’ খেয়ে সিতাই ছাড়লেন সস্ত্রীক জগদীশ বসুনিয়া