সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যক্তিগত থাকবে না আর কোনও কিছুই। প্রত্যেকের মোবাইল ফোনেই চলবে তীক্ষ্ণ নজরদারি। এমনই এক আইন আনছে ফ্রান্স (France)। সম্প্রতি এমনই এক বিল পাশ হয়ে গিয়েছে। তবে প্রতিটি নজরদারির ক্ষেত্রেই কিন্তু লাগবে বিচারকের সম্মতি। এবং কখনওই ৬ মাসের বেশি একটানা নজরদারি চালানো যাবে না।
রোজকার কথোপকথন থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সব কিছুই মজুত থাকে মোবাইল ফোনে। যে কোনও মানুষের দৈনন্দিন যাপনের সব হিসেব নিকেশই থাকে সেখানে। এবার সন্দেহ হলেই সেই সব তথ্য নাড়াঘাঁটা করতে পারবে ফরাসি সরকার। পুলিশের যদি কারও উপর সন্দেহ হয় তাহলেই চালানো যাবে নজরদারি।
জানা যাচ্ছে, পুলিশ চাইলেই সন্দেহভাজনের ফোন দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, জিপিএস (GPS) সবই ট্র্যাক করতে পারবে তারা। এর মাধ্যমে সেই ব্যক্তির গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে। গত বুধবার এই বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন আইন প্রণেতারা।
[আরও পড়ুন: আমেরিকায় নিহত খলিস্তানি নেতা পান্নুন! সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর গুঞ্জন]
নতুন এই বিল অনুসারে মোবাইলের পাশাপাশি ল্যাপটপ (Laptop), গাড়ির সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন ডিভাইস ও সন্দেহভাজনের অবস্থানের উপরেও নজরদারি চালানো যাবে। যে যে অপরাধে অন্তত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, সেই ধরনের অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রেই এই নজরদারি চালাতে পারবে পুলিশ। বিচারবিভাগীয় মন্ত্রী এরিক ডুপন্ড মোরেটি এই বিষয়ে বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, “এই বিল দ্বারা মানুষের জীবন রক্ষা করা যাবে।”
তবে ডাক্তার, সাংবাদিক (Journalist), বিচারক, আইনজীবী এবং সাংসদরা এই নজরদারির আওতায় পড়বেন না। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ফ্রান্সে জ্বলেছে বিক্ষোভের আগুন। এক তরুণকে গুলি করে খুন করার অভিযোগে বিদ্ধ পুলিশ। সেই ঘটনার পর থেকেই ছড়িয়েছে অশান্তির আঁচ। এই ঘটনার সঙ্গে নয়া বিলের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি।
[আরও পড়ুন: সেনা সদরে হামলার নেপথ্যে ইমরান! তোষাখানা বিপদ কাটলেও মহাসংকটে ‘কাপ্তান’]
সর্বশেষ খবর
-
‘কাট’ বলার পরও উদ্দাম রোম্যান্স? কঙ্গনার কামড়ে কমেডিয়ান বীরের ঠোঁট কেটে রক্তারক্তি কাণ্ড!
-
‘টাকা ঢুকেছে’, ফোন পেয়েই ব্যাঙ্কে দাদু-দিদা, ফাঁকা বাড়িতে নাবালিকাকে কুপিয়ে খুন!
-
অতীত সোরাবর্দি অ্যাভিনিউ, পার্কসার্কাসের রাস্তায় বসল গোপাল মুখার্জি রোডের নামফলক
-
হরমুজে আবার তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা! ইরান-আমেরিকা সংঘাতে ফের অশান্ত প্রণালী
-
ভারী বৃষ্টিতে সিকিমে ফের ভূমিধস, ভুটান থেকে ঢুকছে জল, বাড়ছে হড়পা বানের আশঙ্কা!