Egypt

সাপের খেলা দেখার মর্মান্তিত পরিণতি! ট্যুরিস্টের প্যান্টের ভিতরে ঢুকে ছোবল গোখরোর, মুহূর্তে মৃত্যু

সপরিবারে খেলা দেখতে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। আচমকা সাপের ছোবলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ২০:৩২

options
link
সাপের খেলা দেখার মর্মান্তিত পরিণতি! ট্যুরিস্টের প্যান্টের ভিতরে ঢুকে ছোবল গোখরোর, মুহূর্তে মৃত্যু
ছবি এআই নির্মিত।

মঞ্চে চলছিল সাপের খেলা। কে জানত সেখানেই রচিত হবে মৃত্যুর পালাগান! এক দর্শকের পা পেঁচিয়ে ধরার পর ছোবল মারে বিষধর গোখরো। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি তাঁকে। এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হল মিশর। মৃত ব্যক্তি জার্মানির নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। তিনি মিশরে বেড়াতে এসেছিলেন। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেই খবর।

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ৫৭ বছরের ওই জার্মান নাগরিক মিশরে সপরিবারে বেড়াতে গিয়ে সাপের একটি লাইভ শো দেখতে যান। সেখানে সাপ নিয়ে নানা কারিকুরি দেখাচ্ছিলেন জনৈক সাপুড়ে। শোয়ের একটি অংশ ছিল দর্শকদের মঞ্চে ডেকে তাঁদের সঙ্গে সরীসৃপদের ‘সাক্ষাৎ’ করানো। আর তাতেই ঘটে যায় বিপত্তি। ওই ট্যুরিস্টকে মঞ্চে ডাকেন সাপুড়ে। তাঁর প্যান্টে একটি সাপ জড়িয়ে দেন। বিষধর সেই গোখরো আচমকাই ওই ব্যক্তির প্যান্টের ভিতরে ঢুকে যায়। এবং দ্রুত ছোবল মারে। সঙ্গে সঙ্গে ঝিমিয়ে পড়তে থাকেন তিনি। বিষধর সাপ কামড়ালে যে উপসর্গ দেখা যায়, তার সবই লক্ষিত হতে তাকে। শেষে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইতিমধ্যেই এই মৃত্যুর খবরে নড়েচড়ে বসেছে জার্মানি প্রশাসন। দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে তারা। আপাতত অপেক্ষা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের। তবে মিশর প্রশাসন জানাচ্ছে, এখনও তারা পুরো বিষয়টা পরিষ্কার জানে না। এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি।

Advertisement

প্রসঙ্গত, একটা চালু মিথ রয়েছে যে, সাপ নাকি সম্মোহিত হয়। এবং এই ধরনের সাপুড়েরা তেমনটাই দাবি করে থাকেন। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, সাপ সম্মোহিত হয় না। বরং এর পরিবর্তে, মূলত নড়াচড়া এবং কম্পনের প্রতিক্রিয়ায় সাড়া দিয়ে থাকে। এই ধরনের প্রদর্শনীগুলিতে বাদক ও ব্যবহৃত বাদ্যযন্ত্রের দোদুল্যমান গতি সাপের মধ্যে কোনও সম্মোহিত অবস্থা সৃষ্টি করে না। এর পরিবর্তে বরং সাপটির মধ্যে আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়াই জেগে ওঠে। এমতাবস্থায় সাপগুলি সতর্ক হয়ে ওঠে। আর নিজেদের বিপন্ন মনে করলে তারা ছোবল দিতে পারে। মনে করা হচ্ছে, এক্ষেত্রেও তেমনই ঘটেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.