America

আমেরিকা-চিন সংঘাত রুখতে জিনপিংকে ‘সীমারেখা’ তৈরির প্রস্তাব বাইডেনের

ভারচুয়াল বৈঠকে বাইডেন-জিনপিং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২১, ০৮:৪৫

options
link
আমেরিকা-চিন সংঘাত রুখতে জিনপিংকে ‘সীমারেখা’ তৈরির প্রস্তাব বাইডেনের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ চিন সাগর থেকে শুরু করে তাইওয়ান ও তালিবান-সহ একাধিক বিষয়ে ক্রমে সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা (America) ও চিন (China)। এহেন পরিস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে সোমবার চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত থামাতে নীতিগত সীমারেখা তৈরির প্রস্তাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারতের দেওয়া খাদ্যসামগ্রী পেতে আগ্রহী তালিবান, ‘বাধ্য হয়ে’ পথ খুলে দিতে চলেছে পাকিস্তান]

হোয়াইট হাউস থেকে টেলিভিশন পর্দায় জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় বাইডেন বলেন, “ইচ্ছাকৃতভাবেই হোক বা অনিচ্ছায়, দুই দেশের মধ্যে চলা প্রতিযোগিতা যাতে সংঘাতের রূপ না নেয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমাদের একটি সীমারেখা তৈরি করতে হবে।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতি বা ‘সীমারেখা’ তৈরি করতে চাইছেন বাইডেন। আর সেই নীতিগত ‘গার্ডরেল’ তৈরির জন্য বেজিংয়ের উপর চাপ তৈরি করছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে, বেজিং থেকে বাইডেনকে ‘পুরনো বন্ধু’ বলে উষ্ণ সম্বোধন করেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেন, “দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চিন এবং আমেরিকাকে পারস্পরিক সংযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়িয়ে তুলতে হবে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছর ধরেই দক্ষিণ চিন সাগরে সামরিক পরিকাঠামো গড়ে তুলছে বেজিং। প্রায় গোটা জলরাশিটাই নিজেদের বলে দাবি করে কমিউনিস্ট দেশটি। তাইওনে দখল করার হুমকিও দিয়েছেন জিনপিং। পালটা, সেখানে আণবিক শক্তি চালিত যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে শক্তিপ্রদর্শন করছে আমেরিকা। বিশ্লেষকদের মতে, ‘ড্রাগন’কে রুখতে বদ্ধপরিকর আমেরিকা। কিন্তু তারমাঝেও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। গত সেপ্টেম্বর মাসেও জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বাইডেনের। দুই দেশের মধ্যে চলা প্রতিযোগিতা যেন সংঘাতের রূপ না নেয়, সেই বিষয়ে চিনা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন-সহ একাধিক বিষয়ে চিনের সঙ্গে যোগাযোগ মজবুত করার বার্তা দিয়েছেন বাইডেন। একইসঙ্গে, বিশ্বে শান্তি, উন্নতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দিকে আমেরিকার দায়বদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে ভারত-রাশিয়ার বার্ষিক সম্মেলন, ভারতে আসার সম্ভাবনা রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.