Hamas says 'ball is completely' in Israel hand

‘বল সম্পূর্ণ ইজরায়েলের কোর্টেই’, যুদ্ধের ময়দান থেকে পিছু হঠছে হামাস?

গোটা গাজাজুড়ে তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে ইজরায়েলি ফৌজ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৪, ১৮:১৪

options
link
‘বল সম্পূর্ণ ইজরায়েলের কোর্টেই’, যুদ্ধের ময়দান থেকে পিছু হঠছে হামাস?
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আট মাস পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও থামেনি হামাস বনাম ইজরায়েল যুদ্ধ। গোটা গাজাজুড়ে তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে ইজরায়েলি ফৌজ। রাফাতেও ঢুকে গিয়েছে ট্যাঙ্কবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ফের একদফা বৈঠক হয়েছে মিশরে। সেখানে আলোচনার পর হামাসের প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, এই চুক্তির ক্ষেত্রে বল সম্পূর্ণ ইজরায়েলের হাতেই রয়েছে।

Advertisement

এএফপি সূত্রে খবর, শুক্রবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে একটি শান্তি বৈঠক হয়। সেখানে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে হামাস ও ইজরায়েল দুপক্ষই নিজেদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল। যা নিয়ে হামাসের তরফে জানানো হয়েছে, “যারা এখানে মধ্যস্থতা করছে তারা কিছু প্রস্তাব দিয়েছিল। যার বেশ কয়েকটিতে ইজরায়েল আপত্তি জানিয়েছে। ফলে এখন সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ওদের। বল ইজরায়েলের কোর্টেই রয়েছে।” 

Advertisement

[আরও পড়ুন: কেউ অস্ত্র না দিলে কী করবে ইজরায়েল? জানালেন নেতানিয়াহু]

প্রসঙ্গত গত সপ্তাহেই যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছিল হামাস। মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল হামাস। যা প্রত্যেকবারের মতো এবারেও নাকচ করে দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য ছিল, ওই প্রস্তাবে তাঁদের প্রয়োজনীয় কোনও দাবি মানা হয়নি। একই সঙ্গে তিনি আরও একবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, হামাস খতম না করা পর্যন্ত এই যুদ্ধ থামবে না। 

Advertisement

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মহলের চাপ উপেক্ষা করেই রাফায় ঢুকতে শুরু করেছে ইজরায়েলি সেনা। ইতিমধ্যে রাফা বর্ডার ক্রসিংয়ের প্যালেস্তিনীয় অংশ দখল করে নিয়েছে তারা। দক্ষিণ গাজার এই শহরে হামাস জঙ্গিদের ডেরা লক্ষ্য করে চলছে হামলা। যার ফলে বিপন্ন সেখানে থাকা লক্ষ লক্ষ প্যালেস্তিনীয়ের জীবন। ফলে ফের সাধারণ মানুষের প্রাণহানি নিয়েই এখন গভীর উদ্বেগে রয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। কারণ এই মুহূর্তে রাফায় প্রায় ১৫ লক্ষ প্যালেস্তিনীয়র বাস রয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই শরণার্থী। ফলে যতদিন যাচ্ছে যুদ্ধবিরতির দাবি আরও তীব্র হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.