Kim Jong Un

ভোট মিটেছে, ‘মাত্র; ৯৯.৯৩ শতাংশ! বাকি ওই ০.০৭ শতাংশ কারা? হন্যে হয়ে খুঁজছেন কিম

১৯৫৭ সালের পর এই প্রথম শাসকবিরোধী ভোট পড়েছে কিম রাজার দেশে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৬, ২১:৩৫

options
link
ভোট মিটেছে, ‘মাত্র; ৯৯.৯৩ শতাংশ! বাকি ওই ০.০৭ শতাংশ কারা? হন্যে হয়ে খুঁজছেন কিম
খোদ কিমের বিরুদ্ধেই জমা পড়া ভোট ঘিরে ঘনাচ্ছে জল্পনা।

কিম জন উনের একনায়কতন্ত্রের কথা সর্বজনবিদিত। তাঁর কঠোর শাসন নীতির কথা সকলেরই জানা। এহেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ মানুষ সম্প্রতি নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ তাঁর বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে ০.০৭ শতাংশ। এই ভোট যত সামান্যই হোক, তা বিস্ময়ের উদ্রেক করেছে। কেননা ১৯৫৭ সালের পর এই প্রথম ‘নো’-তে ভোট পড়েছে!

Advertisement

আর এই কারণেই ইন্টারনেটে এই ০.০৭ শতাংশ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন, এঁরা কারা যারা কিম রাজার বিরুদ্ধে এমন তীব্র বিদ্রোহে জ্বলে উঠতে পেরেছেন। গত সাত দশকে যে সাহস কেউ করেনি, সেই সাহস কী করে করলেন তাঁরা? তাহলে কি উত্তর কোরিয়ায় গণ অভ্যুত্থানের বারুদ অল্প হলেও জ্বলছে!

Advertisement

বলাই বাহুল্য উত্তর কোরিয়ার মতো দেশে নির্বাচন নেহাতই এক প্রহসন। অতীতের হিটলার, গদ্দাফির মতোই এই একনায়কও নেহাতই লোকদেখানো নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন নিজের ‘গণতান্ত্রিক’ মানসিকতাকে প্রতিষ্ঠা করতে। আর সেখানেই এই প্রথম তাঁর বিরুদ্ধে ভোট পড়ায় কিম যে তা ভালোভাবে নেবেন না সে বিষয়ে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল। এদিকে নেট ভুবনে মিম তৈরি হয়েছে ওই ০.০৭ শতাংশকে নিয়ে। কেউ লিখেছেন, ‘০.০৭ শতাংশ মানুষদের জন্য নীরবতা’ অথবা ‘ওই ০.০৭ শতাংশই এখন উত্তর কোরিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড’।

Advertisement

উল্লেখ্য, নিজের কাকাকেও রেয়াত করেননি একনায়ক শাসক। তাঁকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে ১২০টি ক্ষুধার্ত কুকুর দিয়ে খাইয়েছিলেন কিম। ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র শাস্তি কতটা ভয়ংকর সেটাই বাকিদের বুঝিয়ে দিতে এমন অবিশ্বাস্য হিংস্রতাকে অবলম্বন করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আসলে গোটা দেশের শাসনভার নিজের হাতেই রাখতে চান কিম। দীর্ঘদিন ধরেই ধুঁকছে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি। এহেন পরিস্থিতিতে দেশবাসী কিমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে পারে। এমন সম্ভাবনা বহুদিন ধরেই রয়েছে। এবার খোদ কিমের বিরুদ্ধেই জমা পড়া ভোট ঘিরে ঘনাচ্ছে জল্পনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.