UK police

‘শ্বাস নিতে পারছি না’, ব্রিটেনে ভারতীয় বংশোদ্ভূতের হামলায় আহতকেই হাতকড়া! মৃত্যু তরুণের

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আহত নোভাক পুলিশের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছেন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। এই অবস্থায় নোভাককে তুলে বসাতেই দেখা যায় তাঁর পিঠ দিয়ে রক্ত ঝরছে। কিছুটা দুরেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন অভিযুক্ত বিক্রম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ১৬:০৭

options
link
‘শ্বাস নিতে পারছি না’, ব্রিটেনে ভারতীয় বংশোদ্ভূতের হামলায় আহতকেই হাতকড়া! মৃত্যু তরুণের
ব্রিটেনে ভারতীয় বংশোদ্ভূতের হামলায় আহতকেই হাতকড়া!

ব্রিটেনে এক তরুণের উপর ছুরি হাতে হামলার অভিযোগ ভারতীয় বংশোদ্ভূতের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আহত তরুণকেই হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তারের চেষ্টা পুলিশের (UK police)। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তরুণ পুলিশকে বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি নির্দোষ। বারবার বলতে থাকেন, ‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না, আমায় ছেড়ে দিন।’ এই অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তরুণের। ঘটনার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে ব্রিটেনে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি দক্ষিণ ইংল্যান্ডের সাদাম্পটনের। মৃত ওই তরুণের নাম হেনরি নোভাক। অন্যদিকে হামলাকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিখ যুবক বিক্রম দিগওয়ার। হামলার ঘটনা গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ঘটলেও মৃতের পরিবারের অনুমতি নিয়ে মর্মান্তিক সেই ঘটনার ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশ করেছে ব্রিটেন পুলিশ। যেখানে দেখা যাচ্ছে, আহত নোভাক পুলিশের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছেন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। এই অবস্থায় নোভাককে তুলে বসাতেই দেখা যায় তাঁর পিঠ দিয়ে রক্ত ঝরছে। কিছুটা দুরেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন বিক্রম। নোভাক বলেন, ‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না, আমায় ছেড়ে দিন।’ এর কিছুক্ষণ পরই তাঁর মৃত্যু হয়।

Advertisement

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারও।

পুলিশের দাবি অনুযায়ী, বিক্রমের অভিযোগের ভিত্তিতে নোভাককে গ্রেপ্তার করছিল পুলিশ। বিক্রম তাঁদের জানিয়েছিলেন, তিনি জাতি বিদ্বেষের শিকার। তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছে। এই কথায় বিশ্বাস করেই পদক্ষেপ করে পুলিশ। এরপরই প্রকাশ্যে আসে গোটা ঘটনা। সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় বিক্রমকে। সম্প্রতি ব্রিটেনের আদালতে ২১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে অভিযুক্ত বিক্রমের।

Advertisement

তবে সেই ঘটনার ভিডিও সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে ব্রিটেনে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.