US-Iran

ট্রাম্পের নজরে ইরানও, ভেনেজুয়েলার চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি হবে, আশঙ্কা মার্কিন অর্থনীতিবিদের

অর্থনীতিবিদের বক্তব্য, ট্রাম্প এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৯:৪০

options
link
ট্রাম্পের নজরে ইরানও, ভেনেজুয়েলার চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি হবে, আশঙ্কা মার্কিন অর্থনীতিবিদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার পরেই গ্রিনল্যান্ড দখলের বার্তা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেখানেই থামবেন না। তাঁর নজরে পশ্চিম এশিয়ার ইরানও রয়েছে। যদি তা-ই নয়, তা হলে ভেনেজুয়েলার চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করলেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাক্স।

Advertisement

মার্কিন বিদেশনীতির কঠোর সমালোচক বলেই পরিচিত জেফ্রি। সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছেন। অর্থনীতিবিদ বলেন, “আমার আশঙ্কা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এবার নজরে রয়েছে ইরান। ইরানের দিকে নজর রাখা উচিত।” নিজের মন্তব্যে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। বলেন, “ইরানের বর্তমান সরকারকে উৎখাত করতে চায় ইজরায়েল। আমেরিকা এখনও এ ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত নয়। তাই জন্যই নিজেকে আটকে রেখেছে ইজরায়েল। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ইজরায়েল যে যুদ্ধই লড়তে বলে, আমেরিকা সেই যুদ্ধই লড়ে।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত বছর পরমাণু শক্তিবৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল। ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। ইরানও প্রত্যাঘাত করে। সেই আবহে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালায় আমেরিকাও। তা নিয়েও ইরান-আমেরিকার মধ্যে টানাপড়েন চলে। সম্প্রতি আবার ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নেতৃত্বাধীন প্রশাসনকে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই ঘটনা স্মরণ করিয়ে জেফ্রি বলেন, “নতুন বছরেই ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু যৌথ বার্তা দিয়েছে। প্রকারান্তরে যার অর্থ, ‘ইরান, এর পর তোমার পালা!”

Advertisement

তবে অর্থনীতিবিদ মনে করছেন, আমেরিকা যদি ভেনেজুয়েলার মতো ইরানেও হামলা চালিয়ে সেখানকার সরকার ফেলার চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি মারাত্মক হবে। কারণ, ভেনেজুয়েলা আমেরিকার পড়শি দেশ। তাই চিন বা রাশিয়া নাক গলানোর চেষ্টা করেনি। কিন্তু ইরান পশ্চিম এশিয়ার দেশ। তার আশপাশে অনেক শক্তিধর দেশ রয়েছে। ইরানের কাছেও হাইপারসনিক মিসাইল রয়েছে। আবার অন্য দিকে, ইজরায়েলের হাতেও পরমাণু বোমা রয়েছে। সব মিলিয়ে ভয়াবহ বিপর্যয় হতে পারে বলেই আশঙ্কা জেফ্রির।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.