F-35 Fighter jet

হামলায় ধরাশায়ী দ্বিতীয় মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান! ভিডিও প্রমাণ দিয়ে উল্লাস ইরানের

ইরান যুদ্ধে ধরাশায়ী আমেরিকার আরও এক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। ইরানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে এই যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করল ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০০:১৩

options
link
হামলায় ধরাশায়ী দ্বিতীয় মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান! ভিডিও প্রমাণ দিয়ে উল্লাস ইরানের

ইরান যুদ্ধে ধরাশায়ী আমেরিকার (US Iran Conflict) আরও এক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান (F-35 Fighter Jet)। ইরানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে এই যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করল ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন ইরানের সমস্ত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করা হয়েছে। সেখানকার আকাশে অবাধে উড়ছে মার্কিন বিমান। এর ঠিক পর মার্কিন বিমান ধ্বংসের দাবি স্বাভাবিকভাবেই চিন্তা বাড়াবে ট্রাম্পের।

Advertisement

সূত্রের খবর, ইরানের মধ্যভাগে এই বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র প্রেস টিভিকে জানান, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পর ভয়ংকর বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে পাইলটের জীবিত থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। মার্কিন বিমান ধ্বংসের পর ইরান গোটা ঘটনাকে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর আগে গত ১৯ মার্চ ইরান আমেরিকার পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ লাইটনিং-২ ধ্বংসের দাবি করেছিল। মুম্বইয়ে ইরানের দূতাবাসের তরফে এই বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। একইসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্বিতীয় এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হল। ইরান একটি শক্তিশালী দেশ। কারও সামনে মাথানত করে না।’

Advertisement

মুম্বইয়ে ইরানের দূতাবাসের তরফে মার্কিন বিমান ধ্বংসের দাবি করে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়।

তবে ইরানের এই দাবি খারিজ করেছে আমেরিকা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যে। তাদের সমস্ত বিমান সুরক্ষিত রয়েছে। একবার নয়, বারবার এই ধরনের মিথ্যে দাবি করে এসেছে আইআরজিসি। এদিকে সময় যত গড়াচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ গুরুতর আকার নিচ্ছে। এদিন ফের ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। তেহরান ও ইসফাহান শহরেও শোনা গিয়েছে বিস্ফোরণের শব্দ। একইদিনে ইরানি ড্রোন কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি তেল শোধনাগারে হামলা চালায়। সংশোধনাগারে আগুন ধরে গেলেও এই হামলায় হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি। অতিতেও একাধিকবার এই কেন্দ্র হামলার শিকার হয়েছে।


অন্যদিকে ইরানের মাটিতে স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে আমেরিকার। তিনি বলেন, মার্কিন সেনা আগামী ২-৩ সপ্তাহ ধরে ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাবে। ট্রুথ সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, মার্কিন হামলায় ইরানের বৃহত্তম সেতু ধ্বংস করেছে। শান্তিচুক্তি প্রত্যাখানের জবাবেই এই হামলা। মার্কিন নৌসেনার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ক্রোয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছে। যে কোনও অঞ্চলে অভিযান চালানোর জন্য তারা প্রস্তুত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.