Iran

লারিজানির আসনে মহম্মদ বাঘের, আমেরিকা-ইজরায়েলের ‘খতম তালিকা’য় ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান!

এক ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খামেনইয়ের মৃত্যুর পর তেল আভিভের ‘হিট লিস্ট’-এর প্রথম স্থানেই ছিলেন লারজানি। তবে তাঁকে কিছুতেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কারণ, খামেনেই নিহত হওয়ার পর ইরানের শীর্ষ নেতাদের কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখা হয়েছে। লারজানিও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। ইরানের নিরাপত্তা প্রধানকে রক্ষা করতে তাঁকে গোপন ঘাঁটিতে রাখা হয়। তবে বেশি দিন তিনি এক জায়গায় থাকতেন না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১৪:১৫

options
link
লারিজানির আসনে মহম্মদ বাঘের, আমেরিকা-ইজরায়েলের ‘খতম তালিকা’য় ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান!
ইরানের নয়া নিরাপত্তা প্রধান হলেন মহম্মদ বাঘের জোলঘার।

আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারজানিই আমেরিকা-ইজরায়েলের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ইজরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন তিনি। এবার আসনে বসলেন মহম্মদ বাঘের জোলঘার। তিনি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের প্রাক্তন কমান্ডার ছিলেন। কিন্তু একটি সূত্রের খবর, ইরানের নয়া নিরাপত্তা প্রধানকে ইতিমধ্যেই নিজেদের ‘খতম তালিকা’য় রেখে ফেলেছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল।

Advertisement

এক ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খামেনইয়ের মৃত্যুর পর তেল আভিভের ‘হিট লিস্ট’-এর প্রথম স্থানেই ছিলেন লারজানি। তবে তাঁকে কিছুতেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কারণ, খামেনেই নিহত হওয়ার পর ইরানের শীর্ষ নেতাদের কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখা হয়েছে। লারজানিও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। ইরানের নিরাপত্তা প্রধানকে রক্ষা করতে তাঁকে গোপন ঘাঁটিতে রাখা হয়। তবে বেশি দিন তিনি এক জায়গায় থাকতেন না। বারবার নিজের অবস্থান বদল করতেন লারজানি। যাতে তাঁকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে ওঠে। এমনকী অধিকাংশ সময় তিনি নাকি ছদ্মবেশেও থাকতেন বলে খবর।

Advertisement

কিন্তু গত ১৭ মার্চ চালে সামান্য ভুল করে ফেলেন লারজানি। মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে তিনি বাইরে বেরোন। আর তখনই নেমে আসে সাক্ষাৎ যম। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লারজানিকে খুঁজে বের করতে ‘স্বর্গ মর্ত্য পাতাল’ এক করে ফেলেছিল ইজরায়েল এবং আমেরিকা। কিন্তু তাঁর হদিশ কিছুতেই মিলছিল না। এই পরিস্থিতিতে গত মঙ্গলবার তেহরানের পারডিসে নিজের মেয়ের বাড়িতে যান লারিজানি। ঠিক তখনই সেই খবর চলে যায় ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের হাতে। আর দেরি করেনি তারা। ‘মৃত্যুবাণে’ বিদ্ধ করেন লারজানিকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ এবং ষড়যন্ত্রের আগুনে নয়া নিরাপত্তা প্রধানকে বাঁচিয়ে রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ ইরানের কাছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.