Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Puri Ratna Bhandar

৪৮ বছর পর খুলল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের অন্দরমহল, উদ্ধার বড় বড় সিন্দুক, কী রয়েছে?

পুরীর রত্নভাণ্ডারের গোপন কুঠুরি নিয়ে বহু জল্পনা, বহু গুজব, বহু মিথ শোনা যায়। ওই গোপন কুঠুরিতে বহুমূল্য রত্ন-অলঙ্কার আছে বলেও শোনা যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ২০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ২০:৩৭

options
link
৪৮ বছর পর খুলল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের অন্দরমহল, উদ্ধার বড় বড় সিন্দুক, কী রয়েছে? zoom
পুরীর রত্নভাণ্ডার। ফাইল ছবি।
Advertisement

৪৮ বছর পর খুলল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের (Puri Ratna Bhandar) অন্দরমহল। মন্দিরের রীতি মেনে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ২৮ মিনিট নাগাদ ওই রত্নভাণ্ডারের অন্দরমহলের দরজা খোলা হয়। অন্দরমহল থেকে বেশ কয়েকটি বড় বড় সিন্দুক উদ্ধার হয়েছে। ওই সিন্দুকগুলি এবার পরীক্ষানিরীক্ষা করা হবে।

ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জেতার পর সেই প্রতিশ্রুতি পুরণ করল ওড়িশার বিজেপি সরকার। হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে খোলা হল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের অন্দরমহল। এর আগে ১৯৭৮ সালে শেষবার খোলা হয়েছিল রত্নভাণ্ডারের অন্দরমহলের দরজা। তারপর বেশ কয়েকবার রত্নভাণ্ডারের বহির্মহলের দরজা খুললেও অন্দরমহলে কেউ ঢোকেনি। হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে এবং মন্দিরের রীতি মেনে মঙ্গলবার অন্দরমহলের দরজা ফের খোলা হল।

Advertisement

১৯৭৮ সালে শেষবার খোলা হয়েছিল রত্নভাণ্ডারের অন্দরমহলের দরজা। তারপর বেশ কয়েকবার রত্নভাণ্ডারের বহির্মহলের দরজা খুললেও অন্দরমহলে কেউ ঢোকেনি।

এদিন দুপুর ১.২৮ এ রত্নভাণ্ডারের অন্দরমহলের দরজা খুলে বেশ কয়েকটি বড় সিন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। ১৯৭৮ সালে অন্দরমহলে যা যা পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলির একটি তালিকা রয়েছে। সেই তালিকার সঙ্গে উদ্ধার সামগ্রী মিলিয়ে দেখা হবে। সেগুলির গুণগত মানও পরীক্ষা হবে। রত্নভাণ্ডারের থ্রিডি ম্যাপিং করা হবে বলেও খবর। রত্নভাণ্ডারের কোনও রত্ন খোয়া গিয়েছে কিনা সেটাই এবার খুঁজে বের করতে চাইছে প্রশাসন। পুরো বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে ওড়িশা হাই কোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ। তবে রত্নভাণ্ডারে কী রয়েছে, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির তরফে সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তবে নানা সূত্রে সোনা-হিরে-মণি-মুক্তের অলঙ্কারের হিসেব মিলছে। ১৮০ রকমের বহুমূল্য গয়না রয়েছে ভাণ্ডারে। এর মধ্যে ৭৪ রকমের ভারী সোনার গয়না। কোনও কোনও গয়নার ওজন ১০০ তোলা অর্থাৎ দেড় কেজি অবধি।

১৯৭৮ সালে শেষবার খোলা হয়েছিল রত্নভাণ্ডারের অন্দরমহলের দরজা। সেবারই সেখানে রাখা সোনার গয়না-সহ সমস্ত অলঙ্কার ও রত্নরাজির একটি বিস্তৃত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। উল্লেখযোগ্য, অমূল্য গয়না ছাড়াও ভিতরা ভাণ্ডারে রয়েছে ‘রেজা সুনা’ (সোনা) ও রুপো। এগুলি মন্দিরের দেবতাদের গয়না মেরামতির কাছে ব্যবহৃত হত। পুরীর রত্নভাণ্ডারের গোপন কুঠুরি নিয়ে বহু জল্পনা, বহু গুজব, বহু মিথ শোনা যায়। ওই গোপন কুঠুরিতে বহুমূল্য রত্ন-অলঙ্কার আছে বলেও শোনা যায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.