Iran

‘পরমাণু নয়, ইরানের রয়েছে থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা’, তেহরান সফরে বিস্ফোরক দাবি রুশ রাষ্ট্রনেতার

খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার পর তেহরান থেকে এক বিবৃতি দেন দিমিত্রি। সেখানে ইরানের যুদ্ধ কৌশলের প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, "যুদ্ধের সময় হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে ইরান নিজের কৌশলগত শক্তি প্রদর্শন করেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ২০:১৮

options
link
‘পরমাণু নয়, ইরানের রয়েছে থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা’, তেহরান সফরে বিস্ফোরক দাবি রুশ রাষ্ট্রনেতার
ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেস্কিয়ানের সঙ্গে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতল্লা খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিস্ফোরক দাবি রুশ রাষ্ট্রনেতার। রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ জানালেন, ইরানের কাছে পরমাণু বোমা নেই ঠিকই, তবে রয়েছে থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা। যা পরমাণু বোমার চেয়ে কম কিছু নয়। আর এই থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হল হরমুজ প্রণালী। যেখান থেকে গোটা বিশ্বের জ্বালানি রপ্তানি হয়।

Advertisement

খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার পর তেহরান থেকে এক বিবৃতি দেন দিমিত্রি। সেখানে ইরানের যুদ্ধ কৌশলের প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, “যুদ্ধের সময় হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে ইরান নিজের কৌশলগত শক্তি প্রদর্শন করেছে। এখন, ভবিষ্যতে ইরান এখানে কী করবে এবং হরমুজ কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে গোটা বিশ্বে আলোচনা ও চুক্তি চলছে। এই ঘটনার মাধ্যমেই ইরান প্রমাণ করেছে তারা নিজের মটিতে ঠিক কতখানি শক্তিশালী।”

Advertisement

দিমিত্রি মেদভেদেভ জানালেন, ইরানের কাছে পরমাণু বোমা নেই ঠিকই, তবে রয়েছে থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা। যা পরমাণু বোমার চেয়ে কম কিছু নয়।

রুশ নেতা আরও বলেন, ”এই জলভাগের উপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ তাকে পরমাণু অস্ত্রের চেয়েও বেশি শক্তি দিয়েছে। ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র না থাকতে পারে কিন্তু আমি বিশ্বাস করি তাদের কাছে থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র রয়েছে। সেই অস্ত্রটি হল হরমুজ প্রণালী। এটি যেকোনও বৈশ্বিক সংঘাতে ব্যবহার করা যেতে পারে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পরই বিশ্বের তৈল ধমনী হরমুজ বন্ধ করে ইরান। বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ জ্বালানি এই পথ দিয়ে সরবরাহ হয়। তা বন্ধ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ঘুম ছোটে তৈল আমদানিকারী দেশগুলির। হুড়মুড়িয়ে বাড়ে গোটা বিশ্বের জ্বালানি তেলের দাম। ইরানের যে এহেন পদক্ষেপে করতে পারে তা ভাবতেও পারেনি আমেরিকা। যার ফল কার্যত ছুঁচো গেলা অবস্থা হয় ট্রাম্পের। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনায় শান্তি ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে আমেরিকা। সে আলোচনা এখনও চলছে। এরই মাঝে তেহরান সফরে ইরানের রণকৌশলের প্রশংসা করে হরমুজ প্রণালীকে ইরানের থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা বলে উল্লেখ করলেন রুশ রাষ্ট্রনেতা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.