Iran Protest

নগ্ন করে নির্যাতন, শরীরে অজানা বিষ প্রয়োগ! ‘মোল্লাতন্ত্র নিপাত যাক’ বলার ভয়াল ‘শাস্তি’ ইরানে

স্ট্রেচারে স্তূপ করে রাখা কালো ব্যাগে মোড়ানো মৃতদেহ, প্রিয়জনদের খোঁজে পরিবারগুলোর ঘুরে বেড়ানোর ছবি সামনে এসেছে। যা দেখে মানবাধিকার সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, এমন নির্যাতন কল্পনাতীত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৩:১৩

options
link
নগ্ন করে নির্যাতন, শরীরে অজানা বিষ প্রয়োগ! ‘মোল্লাতন্ত্র নিপাত যাক’ বলার ভয়াল ‘শাস্তি’ ইরানে
ফাইল ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই দাবি করেছেন, দেশে গণবিক্ষোভের জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১ হাজার মানুষের। কিন্তু সংখ্যাটা আসলে ১৬ হাজারেরও বেশি! এমনই দাবি রিপোর্টে। ‘মোল্লাতন্ত্র নিপাত যাক’ জাতীয় স্লোগান কিন্তু কমতে শুরু করেছে রাজপথে। জানা যাচ্ছে বন্দিদের নগ্ন করে হাড়হিম ঠান্ডায় ফেলে রাখা হচ্ছে। অনেক সময় জেলের ভিতরে তাঁদের দেহে বিষাক্ত পদার্থ ভরে দেওয়া হচ্ছে ইনজেকশনের মাধ্যমে। সব মিলিয়ে ছবিটা ভয়াবহ!

Advertisement

ইরান (Iran Protest) থেকে পাচার হওয়া ভিডিও, ফোন কল ও স্টারলিঙ্ক থেকে মেলা খণ্ড খণ্ড বার্তা জুড়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের যে ছবি ফুটে উঠছে তা অবিশ্বাস্য ক্রুরতার। মানবাধিকার সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, এমন নির্যাতন কল্পনাতীত। স্ট্রেচারে স্তূপ করে রাখা কালো ব্যাগে মোড়ানো মৃতদেহ, প্রিয়জনদের খোঁজে পরিবারগুলোর ঘুরে বেড়ানোর ছবিও সামনে এসেছে। যা খামেনেই-এর ভয়াবহ পীড়ন নীতির ছবিটাকেই আরও পরিষ্কার করছে।

Advertisement

প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভ রুখতে হিংসাত্মক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি। এবার ইরান থেকে পাচার হওয়া ভিডিও, ফোন কল ও স্টারলিঙ্ক থেকে মেলা খণ্ড খণ্ড বার্তা জুড়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের যে ছবি ফুটে উঠছে তা অবিশ্বাস্য ক্রুরতার।

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইরানে খামেনেই-বিরোধী যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, তা ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহ। অর্থনীতির বেহাল দশা নিয়ে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এক পর্যায়ে ধর্মীয় শাসনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়। আর তারপরই তা দমনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে খামেনেই প্রশাসন। আর তারই ফলশ্রুতি এই হাড়হিম পরিণতি। যে কারণে কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে ইরান সরকারকে।

Advertisement

প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভ রুখতে হিংসাত্মক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি। মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনের সংবাদসংস্থা (এইচআরএএনএ) দাবি করেছিল, উত্তাল ইরানের মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন হাজার। কিন্তু এরপর প্রকাশ্যে আসে নয়া রিপোর্ট, যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক মহল। আর এবার যে নৃশংসতার ছবি সামনে এসেছে তা যেন আরও ভয়াবহ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.