Donald Trump

‘ট্রাম্পকে মারব’, ইরানের রাস্তায় বিশাল বিলবোর্ড, কালো কফিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

সম্প্রতি আমেরিকার নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, "“ইরানের নেতারা এখন আর কেউ নয়। আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর আরেও এক দল নেতা এসেছিল। কিন্তু তারাও এখন আর কেউ নেই। মজার বিষয় হল আমিও হয়তো চলে যেতে পারি। কারণ, এখন আমি তাদের প্রধান লক্ষ্য।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৬:৩৭

options
link
‘ট্রাম্পকে মারব’, ইরানের রাস্তায় বিশাল বিলবোর্ড, কালো কফিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট!
ইরানের রাস্তায় বিশাল বিলবোর্ড। ছবি: এক্স।

প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে ইরান। লক্ষ্য একটাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কফিনবন্দি করা। তারই প্রতিচ্ছবি যেন ধরা পড়ল ইরানের রাস্তায়। তেহরানের এঙ্গেলব স্কোয়ারের বিশাল একটি বিলবোর্ড টাঙানো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কফিনবন্দি একটি একটি ছবি।

Advertisement

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, মৃত্যুঘুমে ট্রাম্প। তাঁর চোখ বন্ধ। পরনে কালো কোর্ট, লাল টাই। তাঁর হাত বুকের উপরে। তিনি কালো একটি কফিনের উপরে শুয়ে রয়েছেন। সঙ্গে একটি বার্তায় লেখা, ‘ট্রাম্পকে আমরা হত্যা করব।’ সেখানে মিনাবের নিহত শিশুদের কথাও স্মরণ করা হয়েছে। ব্যঙ্গাত্মক এই ছবিটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন এখনও মুখ খোলেনি। যদিও ট্রাম্প যে ইরানের হিটলিস্টের এক নম্বরে রয়েছে, তা আগেই স্বীকার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement

সম্প্রতি আমেরিকার নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ““ইরানের নেতারা এখন আর কেউ নয়। আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর আরেও এক দল নেতা এসেছিল। কিন্তু তারাও এখন আর কেউ নেই। মজার বিষয় হল আমিও হয়তো চলে যেতে পারি। কারণ, এখন আমি তাদের প্রধান লক্ষ্য। তেহরানের তথাকথিত হিটলিস্ট বা হত্যার তালিকায় আমি প্রথম স্থানে।” অন্যদিকে, ন্যাটো বৈঠকে যোগ দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তুরস্কে যে বিমানে করে গিয়েছিলেন, সেই বিমানে করে তিনি ওয়াশিংটন ফেরেননি। কিন্তু কী কারণে হঠাৎ তিনি উড়ান বদল করলেন, তা স্পষ্ট নয়। খুন হওয়ার আশঙ্কাতেই কি অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন ট্রাম্পের? তা নিয়েও ওঠে প্রশ্ন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.