Japan Earthquake

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত জাপান! গুঁড়িয়ে গেল শপিং মল, মৃত অন্তত ১৮

ভূমিকম্পে এখনও নিখোঁজ বহু। আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৬:৪৯

options
link
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত জাপান! গুঁড়িয়ে গেল শপিং মল, মৃত অন্তত ১৮
রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১।

মঙ্গলবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল জাপান। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১। ভূমিকম্পের পরই জাপানজুড়ে জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। কুমামোতো অঞ্চলে রাতারাতি গুঁড়িয়ে গিয়েছে শপিং মল, বসতবাড়ি। এখনও পর্যন্ত সেখানে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর কথা জানা গিয়েছে। গুরুতর জখম অন্তত ৬২।

Advertisement

সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে কাশিমা শহরের ‘আয়ন মল’ শপিং সেন্টারে। ভূমিকম্পের সময় সেখানে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মলের অন্য একটি অংশে, যেখানে তখনও কিছু মানুষ কাজ করছিলেন, গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটার আগেই প্রায় ৩,০০০ ক্রেতাকে সরিয়ে একটি পার্কিং লটে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মলের দোতলাটি ধসে পড়ায় অনেকে আটকা পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতা পুরো এলাকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।

Advertisement

মঙ্গলবার বিকেলে জোরালো ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে ওঠে জাপানের দক্ষিণে কিউশু দীপের কুমামোতোতে অঞ্চল। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল প্রশান্ত মহাসাগরের ১০ কিলোমিটার গভীরে। তারপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। সূত্রের খবর, ভূমিকম্পের পরই সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলি ইতিমধ্যেই ফাঁকা করতে শুরু করেছে জাপানের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয় নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি অঞ্চলে। এগুলি সবই জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে অবস্থিত। এর পাশাপাশি সূত্রের খবর, ভূমিকম্পের পর বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয় জাপানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিতেও।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে জাপানের (Japan) তোহোকু এলাকার প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল থেকে বেশ কিছুটা দূরে তৈরি হওয়া ভূমিকম্পের কারণে সুনামি আছড়ে পড়েছিল ফুকুশিমায়। যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল স্থানীয় তিনটি পরমাণু চুল্লি। এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তেজস্ক্রিয় কণা। চের্নোবিল কাণ্ডের পর ফুকুশিমার ঘটনাই সবচেয়ে ভয়াবহ পরমাণু-বিপর্যয়। ওই ঘটনার পরেই সবক’টি অর্থাৎ ৫৪টি পরমাণু চুল্লিই বন্ধ করে দিয়েছিল জাপান সরকার। পরবর্তীকালে দেশে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে বেশ কয়েকটি চুল্লি চালু করা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.