সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আচমকাই ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। দেশের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিতে গিয়ে ভারতকে ধন্যবাদ জানান। আগামী দিনে ভারতের সঙ্গে মুক্তি বাণিজ্য চুক্তি সই করতেও আগ্রহী মালে, এমনটাই জানিয়েছেন মুইজ্জু। তবে এই ভাষণে চিনকেও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।
কেন আচমকা সুর বদল মুইজ্জুর? জানা গিয়েছে, মালদ্বীপের পূর্বতন সরকার ভারতের থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছিল। ভারতীয় (India) মুদ্রায় এই অঙ্কটা ১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সেই ঋণের থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার শোধ করেছে মালদ্বীপ। কিন্তু বাকি থাকা ১৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ শোধ করতে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছে মালদ্বীপের চিনপন্থী সরকার।
[আরও পড়ুন: পুরোদমে যুদ্ধ শুরু ইজরায়েল-হেজবোল্লার! লেবাননে নাগরিকদের কী বার্তা ভারতের?]
এহেন পরিস্থিতিতে সুর নরম করতে বাধ্য হন মুইজ্জু (Mohammed Muizzu)। যাবতীয় ভারত বিরোধিতা ভুলে বলেন, “ভারত বরাবরই মালদ্বীপকে সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আশা করি, ভারতের থেকে আগের সরকার যা ঋণ নিয়েছিল তা মকুব করে দেবে মোদি সরকার।” ভারতের কাছে এই আবেদন আরও জোরাল করতে গত ৮ মে ভারত সফরে এসেছিলেন মালদ্বীপের (Maldives) বিদেশমন্ত্রী মুসা জামির। তার পরেই ভারতের তরফে জানানো হয়, ঋণ মেটাতে আরও বেশি সময় দেওয়া হবে মালদ্বীপকে।
গোটা বিষয়টিকে সরকারের কূটনীতিক সাফল্য হিসাবে এদিনের ভাষণে বর্ণনা করেন মুইজ্জু। তাঁর কথায়, “ভারত এবং চিন দুই দেশই ঋণ মেটানোর ক্ষেত্রে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মালদ্বীপকে। দেশের আর্থিক সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করেছে দুই দেশ।” ভারতকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি মুইজ্জুর আশা, আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। মালের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতেও আগ্রহী হবে নয়াদিল্লি।
[আরও পড়ুন: আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা! পার্কের মধ্যে এলোপাথাড়ি গুলি মৃত ১, আহত ৬]
সর্বশেষ খবর
-
প্রতীক কার! ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে থানায় নালিশ ‘কালীঘাট তৃণমূলের’
-
গেরুয়া উত্তরীয় বনাম বোরখা, পোশাক নিয়ে বারাসত কলেজে সম্মুখ সমরে এবিভিপি-বজরং দল!
-
‘ভারতবিদ্বেষে’র হাওয়ায় প্রথম চিন সফর! কী বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক?
-
‘যে ইন্ডাস্ট্রিকে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা দিয়েছে…’, রণবীরকে কোণঠাসা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক সুনীল
-
‘গুন্ডাদমন বিলে’ লুটের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই সরকারের লক্ষ্য! কী রয়েছে খসড়ায়