Maria Corina Machado

যেন সিনেমা! হাজার সেনার চোখে ধুলো দিয়ে কীভাবে ভেনেজুয়েলা থেকে পালিয়েছিলেন মাচাদো? কার মদতে?

সম্প্রতি নিজের অর্জিত নোবেল পুরস্কার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে তুলে দিয়েছেন মাচাদো। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তর বিতর্ক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৬:৫৪

options
link
যেন সিনেমা! হাজার সেনার চোখে ধুলো দিয়ে কীভাবে ভেনেজুয়েলা থেকে পালিয়েছিলেন মাচাদো? কার মদতে?
ছদ্মবেশে ভেনেজুয়েলা থেকে পালান মাচাদো। ছবি: সংগৃহীত।

‘ভেনেজুয়েলার লৌহমানবী’ বলে পরিচিত তিনি। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের জন্য ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের মধ্যে তাঁর নামও ছিল। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর শাসনকালে ভেনেজুয়েলার সেই বিরোধী দলনেতা মারিয়া করিনা মাচাদো ছিলেন দেশের মধ্যেই আত্মগোপন করে। এই পরিস্থিতিতে গত বছর নোবেল পুরস্কার পান মাচাদো। কিন্তু নোবেল আনতে গেলে তাঁকে বেরোতে হবে দেশের বাইরে। এদিকে পদে পদে ছড়িয়ে বিপদ। শাসক-সহ হাজার সেনার চোখে ধুলো দিয়ে যেভাবে মাচাদো দেশ থেকে পালিয়েছিলেন, তা সিনেমাকেও হার মানায়!

Advertisement

প্রায় এক বছর অজ্ঞাতবাসে থাকার পর গত বছর ডিসেম্বর মাসের প্রথমদিকে ছদ্মবেশে দেশ থেকে পালান মাচাদো। কিন্তু কার মদতে এসব হয়েছিল? উত্তরটা সহজ। আমেরিকা। রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে মার্কিন কমান্ডো বাহিনী ‘গ্রে বুল’ মাচাদোকে ভেনেজুয়েলা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এই সংক্রান্ত একটি ছোট ভিডিও ইতিমধ্যেই তারা প্রকাশ করেছে।   

Advertisement

কীভাবে দেশ থেকে পালান ‘ভেনেজুয়েলার লৌহমানবী’? মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের শহরতলির উপকূলীয় একটি গ্রামে লুকিয়ে ছিলেন মাচাদো। গত বছর ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সেখান থেকে ছদ্মবেশে একটি নৌকা করে তিনি রওনা দেন ক্যারিবিয়ান সাগরের পূর্ব নির্ধারিত একটি জায়গায়। যেখানে আগে থেকেই অন্য একটি নৌকায় তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন ‘গ্রে বুল’-এর কমান্ডোরা। এরপর রাতের অন্ধকারে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে অবশেষে মাচাদো পৌঁছন নরওয়েতে।   

Advertisement

তবে সম্প্রতি নিজের অর্জিত নোবেল পুরস্কার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে তুলে দিয়েছেন মাচাদো। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তর বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে রবিবার নোবলজয়ীকে তিরস্কার করেছে নোবেল কমিটি। তারা একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘নোবেল পুরস্কার প্রতীকীভাবেও অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়া যায় না। অ্যালফ্রেড নোবেলের ইচ্ছা এবং শর্তাবলিকে মর্যাদা দেওয়া এই কমিটির কর্তব্য। সেই শর্তে স্পষ্ট বলা হয়েছে, মানবজাতির স্বার্থে যাঁরা অসামান্য অবদান রেখেছেন, কেবল তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়া হবে। নোবেল পুরস্কার দেওয়ার ক্ষমতাও স্পষ্টভাবে শর্তাবলিতে লেখা রয়েছে। নোবেল পুরস্কার দেওয়ার যোগ্যতা কাদের রয়েছে, সেটাও শর্তাবলির অঙ্গ।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.