যুদ্ধের ঘনঘটা
Iran

১২ ঘণ্টায় ৯০০ মিসাইল হামলা! কীভাবে ইরান যুদ্ধের মানচিত্র বদলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?

ইরান যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই মডেলটি মার্কিন সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল বহু স্যাটেলাইট ছবি এবং শত্রুপক্ষের ক্ষমতা সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সূত্রের খবর, এআই মডেলটি প্রথম দিনেই তথ্য বিশ্লেষণ করে হাজারেরও বেশি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু মার্কিন সেনাবাহিনীকে প্রস্তাব করেছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ২০:২১

options
link
১২ ঘণ্টায় ৯০০ মিসাইল হামলা! কীভাবে ইরান যুদ্ধের মানচিত্র বদলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?
ইরানকে তছনছ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করেছিল আমেরিকা।

১২ ঘণ্টায় ৯০০টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ইরানকে তছনছ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করেছিল আমেরিকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার কৌশল এক নিমেষেই রণনীতির পরিভাষা বদলে দিয়েছে।

Advertisement

মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থা পালাটনির টেকনোলজিসের তৈরি মার্ভেন স্মার্ট সিস্টেম নামের এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ইরান যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই প্রযুক্তিটি বিশেষ করে মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি বিপুল পরিমাণ তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে।

Advertisement

ইরান যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই মডেলটি মার্কিন সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল বহু স্যাটেলাইট ছবি এবং শত্রুপক্ষের ক্ষমতা সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সূত্রের খবর, এআই মডেলটি প্রথম দিনেই তথ্য বিশ্লেষণ করে হাজারেরও বেশি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু মার্কিন সেনাবাহিনীকে প্রস্তাব করেছিল। মার্কিন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র টাইমথি হকিংস বলেন, “এই ধরনের প্রযুক্তি আপদকালীন সময়ে সেনাবাহিনীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।” তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধমত্তা কেবল তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলিকে দেখায়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সেনাবাহিনীর হাতেই থাকে। তবে এআই যে যুদ্ধক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে সেটা মানছেন বিশেষজ্ঞরা। 

Advertisement

গত ছ’দিনে কমপক্ষে ২ হাজারটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন সেনা। অভিযানে মৃত্যু হয়েছে ১,০০০-এরও বেশি মানুষের। তাদের মধ্যে রয়েছে বহু শিশুও।

বলে রাখা ভালো, মার্ভেন স্মার্ট সিস্টেম একটি অত্যাধুনিক কামান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল প্রযুক্তি, যা যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ করে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়াকে সহজ করে। সেনার তিন বাহিনীরই গোপন তথ্য এটি এক জায়গায় সম্মিলিত করে বিশ্লেষণ করে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। আগে যুদ্ধক্ষেত্রে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করে সেটিকে ধ্বংস করা পর্যন্ত অন্তত ৭২ ঘণ্টা সময় লাগত। কিন্তু এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তা কয়েকঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন করা যায়। সুতরাং বর্তমানে এআই-এর যুগে যুদ্ধের পরিভাষা যে আমূল বদলে গিয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

প্রসঙ্গত, গত ছ’দিনে কমপক্ষে ২ হাজারটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন সেনা। অভিযানে মৃত্যু হয়েছে ১,০০০-এরও বেশি মানুষের। তাঁদের মধ্যে রয়েছে বহু শিশুও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.