টানা ২৫ বছর গাছের পাতা খেয়ে সুস্থভাবে বেঁচে রয়েছেন ইনি

সত্যি, এ দুনিয়ায় কত কী-ই না হয়!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০১৭, ০৫:৩৭

options
link
টানা ২৫ বছর গাছের পাতা খেয়ে সুস্থভাবে বেঁচে রয়েছেন ইনি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে শরীরের নাম মহাশয়। যা সওয়াবে তাই সয়। এই প্রবাদ যে একেবারেই ভুল নয়, তারই দৃষ্টান্ত মিলল ফের। শুধুমাত্র গাছের সতেজ পাতা খেয়ে বেঁচে রয়েছেন এক ব্যক্তি। তাও আবার দু-এক বছর নয়, টানা ২৫ বছর! শুনতে অবাক লাগছে নিশ্চয়? কিন্তু এমন অভাবনীয় ঘটনা ঘটিয়ে চলেছেন ৫০ বছরের মেহমুদ বাট।

Advertisement

একটি রিপোর্টে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুরজনওয়ালা জেলার বাসিন্দা মেহমুদ ২৫ বছর বয়স থেকে পাতা খেতে শুরু করেন। শখে নয়, অভাবের তাড়নাতেই এমনটা করতে হয়েছিল তাঁকে। রোজগার না থাকায় দু’বেলার খাবার জোটাতে পারতেন না। তাই গাছের পাতাকেই সম্বল করেছিলেন। সেই শুরু। তারপর আস্তে আস্তে তা অভ্যাসে পরিণত হয়। পরে উপার্জন করলেও অভ্যেস আর ছাড়তে পারেননি। বা বলা যায়, ছাড়তে চাননি। কারণ, দীর্ঘ ২৫ বছর পাতা খেয়েও একদিনের জন্যও অসুস্থ হননি তিনি। মেহমুদ বলছেন, “পরিবারে দারিদ্র থাবা বসিয়েছিল। খাবার জোগাড় করা একপ্রকার দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ভিক্ষাবৃত্তি করতে চাইনি। তাই ভেবেছিলাম, তার চেয়ে গাছের ডালপালা আর পাতা খাব, তাও ভাল। এখন অভ্যাসবশতই কাঠ আর পাতা খাই।”

Advertisement

pak-man

Advertisement

[ত্রিশূল হাতে অযোধ্যার বিতর্কিত কাঠামোয় ঢুকেছে সাধু, অভিযোগ মুসলিম নেতাদের]

গাধার পিঠে মাল বোঝাই করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যান। দিন পিছু তাঁর আয় ৬০০ টাকা। বর্তমানে নিজের পেট চালানোর মতো অর্থ তাঁর হাতে রয়েছে। কিন্তু মানুষ তো অভ্যাসের দাস। তাই কাঠ আর পাতা খাওয়া ছাড়েননি। কী কী গাছের ডালপালা খান তিনি? মেহমুদ জানাচ্ছেন, বট, অশত্থ জাতীয় গাছ থেকে কাঠ সংগ্রহ করে খান তিনি। এমন অভ্যাসের জন্য নিজের এলাকায় বেশ জনপ্রিয়ও হয়ে উঠেছেন। অনেকেই তাঁকে সতেজ পাতা চিবাতে দেখেছেন। কিন্তু কখনও অসুস্থ হতে দেখেননি। মেহমুদের এক প্রতিবেশীর কথায়, “ওকে কখনও ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে যেতে দেখিনি। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে কীভাবে একজন মানুষ গাছপালা খেয়ে সুস্থ থাকতে পারে! ভাবলেই অবাক লাগে!”

[‘এবারের আইপিএলে নিজেদের ক্ষমতার পুরোটা দেখাতে পারিনি’]

২৫ বছর আগে সামান্য খাবারের জন্য নিজেকে অসহায় মনে হত মেহমুদের। আর এখন কাজের ফাঁকে গাধার গাড়ি দাঁড় করিয়ে গাছ থেকে অনায়াসে পাতা ছিড়ে মধ্যাহ্নভোজ সেরে ফেলেন। সত্যি, এ দুনিয়ায় কত কী-ই না হয়!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.