কেমন আছেন ইমরান খান? গত সাত মাস ধরে তাঁর বাবার কোনও খোঁজ নেই বলে কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন, পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দুই পুত্র কাশিম এবং সুলেমান। সেই থেকে ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা চলছেই। এমনকী প্রশ্ন উঠেছে, আদৌ কি বেঁচে আছেন ইমরান? এই পরিস্থিতিতে বড় নির্দেশ দিল পাক সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়ে দিল, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অসুস্থ ইমরানকে ভর্তি করতে হবে বেসরকারি হাসপাতালে। ফলে এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, এবার জনসমক্ষে আনা হবে ইমরানকে।
আরও পড়ুন:
নির্দেশে পাকিস্তানের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, শিফটা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে ইমরানকে। ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁকে সেখানেই রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন খানের সঙ্গে দেখা করতে দিতে হবে তাঁর পরিবারের সদস্য ও বন্ধুস্বজনদের। এছাড়া এও জানানো হয়েছে, ইমরানের চিকিৎসার জন্য যে কমিটি গঠন করতে হবে, সেখানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ইমরানের বোন ড. উজমা খানকে। সেই সঙ্গেই ইমরানের আত্মীয়দেরও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন ইমরানের মেডিক্যাল রিপোর্ট মিডিয়ার কাছে না আনেন। এবং গোটা বিষয়টা নিয়ে রাজনীতি না করেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে আদিয়ালা জেলে বন্দি রয়েছেন ইমরান। একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত তিনি। তিনি জেলে যাওয়ার পর থেকেই পিটিআই বারবার অভিযোগ তুলেছে জেলে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন ইমরান। এমনকী, অসুস্থ হওয়ার পরও যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছে না তাঁর। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে যে ইমরান স্বস্তি পাবেন তা বলাই বাহুল্য।
এদিকে ইমরানের মুক্তির দাবিতে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিরাট মিছিলের ডাক দিয়েছে পিটিআই। সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে শুরু হবে মিছিল। তারপর আদিয়ালা জেলের দিকে এগোবে তা। তার আগে গোটা পাকিস্তানজুড়ে লং মার্চের পরিকল্পনাও রয়েছে। পিটিআইয়ের হুঁশিয়ারি, অন্তত ২০ লক্ষ মানুষের জমায়েত হতে পারে এই কর্মসূচিতে। কিন্তু এবার ইমরানকে জেল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেই কর্মসূচির কী পরিবর্তন হয়, সেদিকে চোখ থাকবে ওয়াকিবহাল মহলের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!