F-16 fighter jet

পাক F-16 বিমানের ‘শক্তিবৃদ্ধি’ আমেরিকার! শাহবাজের নয়া চুক্তিতে কতটা বিপদ ভারতের?

পাক যুদ্ধবিমানগুলিকে প্রযুক্তিগতভাবে আরও অত্যাধুনিক করতে আমেরিকার সঙ্গে নয়া চুক্তির পথে হাঁটলেন শাহবাজ সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৪:০৬

options
link
পাক F-16 বিমানের ‘শক্তিবৃদ্ধি’ আমেরিকার! শাহবাজের নয়া চুক্তিতে কতটা বিপদ ভারতের?
আমেরিকা থেকে কেনা পাক যুদ্ধবিমান এফ-১৬।

অপারেশন সিঁদুরে ভারতের হাতে দুরমুশ হওয়ার পর সামরিক শক্তিবৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করেছে পাকিস্তান। সেই লক্ষ্যেই পাক যুদ্ধবিমানগুলিকে প্রযুক্তিগতভাবে আরও অত্যাধুনিক করতে আমেরিকার সঙ্গে নয়া চুক্তির পথে হাঁটলেন শাহবাজ সরকার। এই মুহূর্তে পাকিস্তানের হাতে থাকা শক্তিশালী বিমান বলতে রয়েছে আমেরিকার থেকে কেনা এফ-১৬। সেই বিমানের আধুনিকীরণে আমেরিকার সঙ্গে ৪৮৮ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করল পাকিস্তান।

Advertisement

পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, নয়া চুক্তির মাধ্যমে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের রাডার সিস্টেমের ক্ষমতা বাড়ানো হবে। এর ফলে এই বিমানে ব্যবহৃত এপিজি-৬৬ এবং এপিজি-৬৮ রাডার সিস্টেমকে কৌশলগত সহায়তা প্রধান করা হবে। যুদ্ধবিমানের আধুনিকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ আমেরিকার মাটিতে হবে। এবং ২০৩৬ সাল পর্যন্ত চলবে এই আধুনিকরণের কাজ। শুধু পাকিস্তান নয়, পাশাপাশি আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তির পথে হেঁটেছে আমেরিকার থেকে এফ-১৬ কেনা বাহরাইন, বেলজিয়াম, চিলি, ডেনমার্ক, মিশর, গ্রিস, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া, মরক্কো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, ওমান, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, থাইল্যান্ড এবং তুরস্ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই আধুনিকীরণের অন্যতম উদ্দেশ্য এফ-১৬ বিমানগুলির কাজের মেয়াদ ২০৪০ সাল পর্যন্ত বড়ানো।

যুদ্ধবিমানের আধুনিকীরণের পাশাপাশি পাকিস্তানে মার্কিন সহায়তা অব্যাহত থাকছে। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা (DSCA) পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের আধুনিকীরণের জন্য কংগ্রেসকে একটি পৃথক ৬৮৬ মিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ সম্পর্কে অবহিত করে। এই প্যাকেজের মধ্যে ছিল, লিংক-১৬ ট্যাকটিক্যাল ডেটা সিস্টেম, ক্রিপ্টোগ্রাফিক সরঞ্জাম, এভিওনিক্স আপগ্রেড এবং প্রশিক্ষণ সহায়তা। এই পরিকল্পনায় আইডেন্টিফিকেশন ফ্রেন্ড-অর-ফো সিস্টেম, নির্ভুল নেভিগেশন টুলস এবং সুরক্ষিত যোগাযোগ সরঞ্জামের উন্নতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই আধুনিকীরণের অন্যতম উদ্দেশ্য এফ-১৬ বিমানগুলির মেয়াদ ২০৪০ সাল পর্যন্ত বড়ানো।

Advertisement

তবে আমেরিকা পাকিস্তানের বিমানের শক্তি বাড়ানোর পথে হাঁটলেও তাতে ভারতের বিশেষ উদ্বেগ নেই। মার্কিন এফ-১৬ বিমানের কার্যক্ষমতা শেষ হওয়ার আগে তার মেয়াদ কিছুটা বাড়াতে চাইছে পাক সরকার। আর সেই ক্ষমতাবৃদ্ধি মূলত যুদ্ধবিমানটির রাডার সিস্টেমে। ভারতের রাফালের মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের কাছে এফ-১৬ বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন না যুদ্ধবিশেষজ্ঞরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.