Pakistan

‘সিঁদুর’ বর্ষপূর্তিতে ইংরাজিতে বিবৃতি কেন? ভারতীয় সেনাকে প্রশ্ন করে হাসির খোরাক পাকিস্তান!

২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৯:২০

options
link
‘সিঁদুর’ বর্ষপূর্তিতে ইংরাজিতে বিবৃতি কেন? ভারতীয় সেনাকে প্রশ্ন করে হাসির খোরাক পাকিস্তান!
পাকিস্তানের লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত।

অভিনব সব কারণে প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকে পাকিস্তান। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। গত ৭ মে এক বছর পূরণ হয়েছে অপারেশন সিঁদুরের। স্বাভাবিকভাবেই বর্ষপূর্তিতে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছে ভারতীয় সেনা। কিন্তু এখানেও আপত্তি ইসলামাবাদের। কেন ভারতীয় সেনা ইংরাজিতে বিবৃতিতে দিয়েছে? এই প্রশ্ন তুলেই সরব হয়েছেন এক পাক জওয়ান।

Advertisement

পাকিস্তানের লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “সিঁদুর বর্ষপূর্তিতে ইংরাজিতে বিবৃতি দিতে কে বলেছিল? এর কারণ কি? আপনারা আপনাদের মনগড়া তত্ত্ব গোটা বিশ্বকে জানাতে চান?” আহমেদের এই মন্তব্যের পরই শোরগোল পড়ে দিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সমাজমাধ্যমে কার্যত হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে পাকিস্তান। এক্স হ্যান্ডলে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘পাকিস্তান সেনাবাহিনীও বিবৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রেও ইংরাজি ব্যবহার করে। যখন নিজে কাঁচের ঘরে বাস করো, তখন অন্যের দিকে ঢিল ছুড়তে নেই।’ আরও এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘পাক সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন স্তর পর্যন্ত সমস্ত নির্দেশনামা ইংরাজিতে জারি করা হয়। নিজেরা কেন পরাজয়ের কথা স্বীকার করছেন না? শুধু মাত্র এক তরফা কথা কেন বলছেন?’

Advertisement

উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একধিক বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.