দ্বিতীয় শান্তি বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তার মেঘ এখনও কাটেনি। কিন্তু তার মাঝেই যেন বোধোদয় হল ইরানের। মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদের ভূমিকা নিয়ে এবার সন্দেহ প্রকাশ করলেন ইরানি আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম রেজাই। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তান উপযুক্ত মধ্যস্থতাকারী নয়।
আরও পড়ুন:
ইব্রাহিম ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা এবং পররাষ্ট্র নীতি কমিশনের মুখপাত্র। তিনি বলেন, “মধ্যস্থতার জন্য পাকিস্তানের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।” তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘পাকিস্তানকে আমাদের ভালো বন্ধু এবং প্রতিবেশী। কিন্তু উপযুক্ত মধ্যস্থতাকারী নয়। তারা আমেরিকার দিকে একটু বেশিই ঝুঁকে থাকে। মধ্যস্থতাকারীদের নিরপেক্ষ হতে হয়।’ তাঁর দাবি, ইসলামাবাদ প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের সমালোচনা করতে ভয় পায়। লেবাননের বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা পূরণ করেনি আমেরিকা। কিন্তু পাকিস্তান এর কোনও প্রতিবাদ করেনি।
গত শুক্রবার ইসলামাবাদে গিয়েছিল ইরানের প্রতিনিধি দল। যার নেতৃত্বে ছিলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি। এরপর শনিবার পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দেখা করে তারা। কিন্তু দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা নিয়ে কোনও অগ্রগতিই হয়নি। এমনকী বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তানও কোনও মন্তব্য করেনি। বৈঠক শেষে শাহবাজ বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের অত্যন্ত ইতিবাচক একটি আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে।”
এখানেই শেষ নয়। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ইরানের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে থাকাকালীন সেখানে পৌঁছনোর কথা ছিল মার্কিন প্রতিনিধি দলেরও। কিন্তু তাদের জন্য আপেক্ষা করেননি ইরানি প্রতিনিধিরা। শাহবাজের সঙ্গে বৈঠক সেরেই তাঁরা দেশে ফিরে যান। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তাহলে কি ফের ভেস্তে গেল দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক? এসবের মাঝেই মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন ইরানের ওই আইনপ্রণেতা।
সর্বশেষ খবর
-
শাহরুখ কি আদৌ দোষী? ‘নিষিদ্ধ’ পান মশলার বিজ্ঞাপন নিয়ে তুকারামের নোটিসের জবাব তিন তারকার
-
দামি ফোন, সোনার হার কিনতে সন্তানকে লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি! দম্পতির কাণ্ডে হতবাক পুলিশও
-
ইন্ডিয়া বৈঠকে কেন গেলেন না অখিলেশ? উত্তরপ্রদেশে ভোটের আগে ‘নয়া খেলা’র জল্পনা
-
দূষণ শংসাপত্র না থাকলে জ্বালানি নয়, ‘বিষবায়ু’ নিয়ন্ত্রণে ১ অক্টোবর থেকেই কড়া নিয়ম দিল্লিতে
-
পড়ুয়াদের সঙ্গে খেয়েছিলেন মিড ডে মিল, সেই স্কুলকে পুজোর উপহার মুখ্যমন্ত্রীর, মহিলা কর্মীরা পেলেন টাকা-শাড়ি