পাকিস্তান

ফেসবুক লাইভে ‘ক্যাট ফিল্টার’-এর ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ায় পাক মন্ত্রীকে ঘিরে তামাশা

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পাক মন্ত্রীর কীর্তি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৯, ২০:৫৬

options
link
ফেসবুক লাইভে ‘ক্যাট ফিল্টার’-এর ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ায় পাক মন্ত্রীকে ঘিরে তামাশা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রযুক্তির দৌলতে ফেসবুক লাইভ বা ভিডিও চ্যাটে ফিল্টারের ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক বিষয়৷ বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডাই হোক বা কোনও মজার আলোচনা, অনেকেই ফেসবুকের এই ফিল্টারগুলি ব্যবহার করেন৷ কিন্তু কোনও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অনুষ্ঠান ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার হওয়ার সময় যদি এই ফিল্টার অন হয়ে যায়! তবে, কী হবে ভাবতে পারছেন? এর পরিণাম যে কতটা ভয়ংকর, তা স্পষ্ট হল পাকিস্তানের একটি ঘটনায়৷ কী সেই ঘটনা?

Advertisement

[ আরও পড়ুন: যুদ্ধশেষে মিলনান্তক কাহিনি, আইএস ক্যাম্প ছেড়ে যেতে চায় না ইয়াজিদি কিশোরী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সরকার৷ যে বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল৷ এবং সেই সিদ্ধান্তগুলি জন সাধারণের সামনে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন পাকিস্তানের রাজনীতিক শওকত ইউসুফজাই৷ ফেসবুকে লাইভেও সেই সাংবাদিক সম্মেলন সম্প্রচার করা হয়৷ আর এখানেই মারাত্মক ভুল করে বসেন ক্যামেরা চালক৷ সম্ভবত ভুলবশতই ফেসবুক লাইভে ‘ক্যাট বা বিড়াল’ ফিল্টারের অপশনটি অন করে দেন তিনি৷ ফলে সাংবাদিক সম্মেলনে শওকত ইউসুফজাই-সহ অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মুখটি বিড়ালের মতোই দেখতে লাগল৷ আর পাক সরকারের এই কীর্তি’ই এখন হাসির খোরাক হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ ঘটনাকে নিয়ে মশকরায় মেতেছেন নেটিজেনরা৷ অনেকে বলছেন, ‘দেশটা যখন পাকিস্তান, তখন কোনও কিছুই অসম্ভব নয়৷’

Advertisement

[ আরও পড়ুন:  জনরোষে টালমাটাল ‘লেগকো’, বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল প্রত্যাহার করল হংকং  ]

এই ঘটনার ঠিক একদিন আগে, একই ভাবে বিশ্বের দরবারে মজার পাত্রে পরিণত হয়েছিল পাকিস্তান৷ এবং সেটার কারণ, খোদ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ সম্প্রতি এসসিও সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী৷ নিয়মানুযায়ী সম্মেলনের শুরুতেই, আয়োজক দেশের রাষ্ট্রনায়ককে স্বাগত জানান হয়৷ এবারও অংশগ্রহণকারী দেশের রাষ্ট্রনেতারা তাই করেন৷ ব্যতিক্রম শুধু পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ জানা গিয়েছে, আয়োজক দেশের রাষ্ট্রনেতাকে স্বাগত জানাননি তিনি৷ সকলে উঠে দাঁড়ালেও, তিনি বসেই ছিলেন৷ যা নিয়ে ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক মাথা চাড়া দিয়েছে৷ অনেকেই পাক প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারের সমালোচনা করছেন৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন