Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Carrie Lam

জনরোষে টালমাটাল ‘লেগকো’, বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল স্থগিত করল হংকং  

তবে কি সপ্তাহ জোড়া বিক্ষোভে ইতি পড়বে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৯, ১০:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৯, ১০:৫৬

options
link
জনরোষে টালমাটাল ‘লেগকো’, বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল স্থগিত করল হংকং   zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে চাপের মুখে নতিস্বীকার। বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল স্থগিত করল হংকং। শনিবার এই কথা ঘোষণা করেছেন হংকংয়ের চিনপন্থী নেত্রী ক্যারি ল্যাম। এই পদক্ষেপে প্রায় সপ্তাহ জোড়া বিক্ষোভে ইতি পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। 

[আরও পড়ুন: ভারতকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের টোপ, রাশিয়াকে টেক্কা দিতে মরিয়া আমেরিকা]

Advertisement

এদিন চিনপন্থী বলে পরিচিত লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের (লেগকো) নেত্রী ক্যারি ল্যাম সাংবাদিকদের বলেন, “আপাতত প্রত্যর্পণ বিলটি স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চালাব আমরা। তারপর পরবর্তী পন্থা ঠিক করা হবে।” প্রসঙ্গত, চিনা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওই শহরে বিক্ষোভ নতুন কিছু নয়। ১৯৯৭ সালে হংকংয়ের শাসনভার চিনের হাতে তুলে দেয় ব্রিটেন। তারপর থেকেই একাধিকবার স্বাধীনতার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে কসমোপলিটন এই দ্বীপটি। তবে এবারের প্রতিবাদ ছিল বেনজির। বিতর্কিত প্রত্যর্পণ চুক্তির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়ে গোটা শহর। কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় বিশ্বের অন্যতম একটি আধুনিক শহরের জীবনযাত্রা। পুলিশ মোতায়েন করে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ফল হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়ায়। শেষমেশ বাধ্য হয়ে আপাতত বিতর্কিত বিলটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল।

উল্লেখ্য, ১৮৯৮ সালে ৯৯ বছরের জন্য হংকং দ্বীপের স্বত্ব ব্রিটেনের হাতে তুলে দেয়  চিনের কুইং রাজবংশ। তারপর কেটে গিয়েছে এক শতাব্দীরও বেশি। বিস্তর পালটেছে কৌশলগত সমীকরণ ও বিশ্বের মানচিত্র। এদিকে, তৎকালীন চিনা সম্রাটের স্বাক্ষরিত চুক্তির সময়সীমা পেরিয়ে গেলে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই হংকংয়ের শাসনভার ফের চিনের হাতে তুলে দেয় ব্রিটেন। তবে চুক্তি করা হয়, হস্তান্তরের পর থেকে ৫০ বছর স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল হয়েই থাকবে দ্বীপটি। তবে অভিযোগ, হংকংয়ের উপর জোর করে নিজেদের নীতি প্রয়োগ করতে চাইছে বেজিং। সব মিলিয়ে চিনা মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে বিশেষ সদ্ভাব কোনওকালেই ছিল না হংকংয়ের বাসিন্দাদের। এহেন পরিস্থিতিতে মূল ভূখণ্ডে বন্দিদের প্রত্যর্পণকে বৈধতা দিয়ে বিল আনে দ্বীপটির লেজিসলেটিভ কাউন্সিল। প্রতিবাদে গত ৯ জুন রাতে রাজপথে নামেন প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শেষমেশ অবস্থা বেগতিক দেখে সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন ক্যারি ল্যাম।     

            [আরও পড়ুন: প্রত্যর্পণ বিল নিয়ে অগ্নিগর্ভ হংকং, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ পুলিশের]                       

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.