Philippines

ফিলিপিন্সে ৩৫০ যাত্রী নিয়ে ডুবে গেল ফেরি, মৃত অন্তত ১৫

উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, এম/ভি ত্রিশা কার্স্টিন ৩, দুই দ্বীপের মধ্যে পণ্য এবং যাত্রী ফেরি করে। ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু সদস্য নিয়ে বন্দর শহর জাম্বোয়াঙ্গা থেকে সুলু প্রদেশের দক্ষিণ জোলো দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল ফেরিটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:২৭

options
link
ফিলিপিন্সে ৩৫০ যাত্রী নিয়ে ডুবে গেল ফেরি, মৃত অন্তত ১৫
ছবি সংগৃহীত

সপ্তাহের প্রথম দিন সকালেই মারাত্মক দুর্ঘটনা। সোমবার ভোরে ফিলিপিন্সে ফেরি দুর্ঘটনার কবলে ৩৫০ মানুষ। দক্ষিণ ফিলিপিন্সের এই ঘটনায় ৩১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি, ১৫ জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement

উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, এম/ভি ত্রিশা কার্স্টিন ৩, দুই দ্বীপের মধ্যে পণ্য এবং যাত্রী ফেরি করে। ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু সদস্য নিয়ে বন্দর শহর জাম্বোয়াঙ্গা থেকে সুলু প্রদেশের দক্ষিণ জোলো দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল ফেরিটি। এই সময় কারিগরি সমস্যার মুখোমুখি হয়ে মধ্যরাতের পরে ফেরিটি ডুবে যায়। কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া জানিয়েছেন, বাসিলান প্রদেশের বালুক-বালুক দ্বীপ গ্রাম থেকে প্রায় এক নটিক্যাল মাইল (প্রায় ২ কিলোমিটার) দূরে ফেরিটি ডুবে যায়। যদিও, এই সময় আবহাওয়া খারাপ ছিলনা বলেও জানানো হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, ফেরিটিতে একজন কোস্টগার্ড প্রতিরক্ষা কর্মী ছিলেন। তিনিই প্রথম দুর্ঘটনার খবর দেন। এরপরেই কোস্টগার্ড এবং নৌবাহিনীর কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। বাসিলান প্রদেশের গভর্ণর মুজিব হাতামান বলেন, দুই মৃতদেহ-সহ অন্যান্য যাত্রীদের প্রদেশের রাজধানী ইসাবেলাতে আনা হয়েছে। কোস্টগার্ড জনিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় ৩১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১৫জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

ফেরিটি ডুবে যাওয়ার কারণ এখনও স্পষ্ট নয় এবং তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন দুয়া। তিনি আরও বলেন, জাম্বোয়াঙ্গা বন্দর ছেড়ে যাওয়ার আগে উপকূলরক্ষী বাহিনী ফেরিটি পরিষ্কার করে এবং অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হয়নি।

ফিলিপিন্সে নৌকাডুবির ঘটনা নতুন নয়। এখানে ঝড়ের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। পাশাপাশি, জাহাজগুলির রক্ষণাবেক্ষণের অভাব রয়েছে এবং বিভিন্নক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করার প্রবণতা থেকেই এই অঞ্চলে জাহাজডুবির ঘটনা ঘটে। ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে, মধ্য ফিলিপিন্সে একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর ডোনা পাজ ফেরিটি ডুবে যায়। যার ফলে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অসামরিক সামুদ্রিক বিপর্যয়ে ৪ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.