PM Modi

একই দিনে জিনপিং-পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মোদি, আমেরিকাকে রুখতে প্রশান্ত মহাসাগরে নতুন অক্ষ?

বেজিংয়ের গতিবিধি কি সন্দেহের উর্ধ্বে? থাকছে প্রশ্ন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ০৮:৩২

options
link
একই দিনে জিনপিং-পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মোদি, আমেরিকাকে রুখতে প্রশান্ত মহাসাগরে নতুন অক্ষ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি মাসের শেষদিনে চিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সফরেই তিনি বৈঠকে বসবেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। মোদির এই চিন সফর মূলত এসসিও বৈঠকের জন্যই। কিন্তু বৈঠকের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। উল্লেখ্য, আমেরিকার শুল্কবোমা আছড়ে পড়ার পর থেকেই ভারত-চিন সৌহার্দ্যের নৌকা তরতরিয়ে এগিয়েছে। এবার সেই অগ্রগতিকে ধরে রাখতেই মোদি-জিনপিং বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে মত বিশ্লেষকদের।

Advertisement

চিনের তিয়ানজিনে আয়োজিত এই এসসিও বৈঠকে যোগ দিতে আগামী ৩১ আগস্ট চিনে যাবেন মোদি। ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে থাকবেন। ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘাতের পর এটাই হতে চলেছে মোদির প্রথম চিন সফর। পাশাপাশি সম্প্রতি ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার বিরোধিতা করে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে বেজিং। এই অবস্থায় মোদির সফরের দিকে বাড়তি নজর গোটা বিশ্বের। এই সফর প্রসঙ্গে মোদিকে অভ্যর্থনা জানিয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, ‘এসসিও তিয়ানজিন শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিন স্বাগত জানায়। আমরা বিশ্বাস করি সকল পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় এই সম্মেলন ঐক্য, বন্ধুত্ব এবং সুনির্দিষ্ট ফলাফলের প্রতীক হয়ে উঠবে।’

Advertisement

উল্লেখ্য, মার্কিন আগ্রাসনকে পাল্লা দিতে ভারত ও চিনকে একজোট হওয়ার বার্তা একাধিকবার এসেছে বেজিংয়ের তরফে। হাতে হাত মিলিয়ে বিশ্বকে হাতি ও ড্রাগনের নাচ দেখানোর বার্তা দিয়েছিল চিন। যদিও সে বিষয়ে খুব একটা উচ্চবাচ্য করেনি ভারত। সম্প্রতি ভারতের উপর আমেরিকা ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং ট্রাম্পকে ‘মস্তান’ বলে তোপ দাগেন। তবে চিন ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরোধিতা ও মোদিকে স্বাগত জানালেও চিনের গতিবিধি একেবারেই সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের সঙ্গে চলা দ্বন্দ্ব দূরে সরিয়ে আমেরিকাকে টক্কর দিতে নয়াদিল্লিকে পাশে চায় বেজিং। রাজনৈতিক মহলের দাবি, সেই লক্ষ্যেই আপাতভাবে দুই দেশের কূটনৈতিক বিরোধ দূরে সরিয়ে রাখতে আগ্রহী বেজিং। এহেন পরিস্থিতিতেই মহাগুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন মোদি-জিনপিং। কেবল চিনা প্রেসিডেন্ট নন, রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মোদি। বিশ্লেষকদের অনুমান, একজোট হয়ে আমেরিকাকে রোখার কৌশল কষতে পারে ভারত-চিন-রাশিয়া। প্রশান্ত মহাসগরীয় এলাকায় চিনকে রুখতে ভারতকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা ছিল আমেরিকার। সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে পারে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলি। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.