Clash in PoK

অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার বিরুদ্ধে ‘গেরিলা যুদ্ধে’ জনতা! ভয়ংকর সংঘর্ষে মৃত অন্তত ১১

অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নিয়েছে যে আমেরিকা, ব্রিটেন এবং কানাডার মতো প্রথম সারির দেশগুলি তাদের নাগরিকদের জন্য জরুরি ‘ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি’ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৮:১৬

options
link
অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার বিরুদ্ধে ‘গেরিলা যুদ্ধে’ জনতা! ভয়ংকর সংঘর্ষে মৃত অন্তত ১১
অধিকৃত কাশ্মীরে ভয়ংকর সংঘর্ষে মৃত অন্তত ৩০।

আসিম মুনিরের সেনার বিরুদ্ধে জনরোষ ভয়ংকর আকার নিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Clash in PoK)। সেনার আগ্রাসন ও অকথ্য নির্যাতনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন সেখানকার জনতা। অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটে সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১১ জনের। আহত আরও ৭০ জন। পরিস্থিতি যে পথে এগোচ্ছে তাতে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই অঞ্চলে সেনার বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধে নামতে পারে জনতা।

Advertisement

আগামী ২৭ জুলাই অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচন করাচ্ছে পাক সরকার। সেই নির্বাচনের ফল সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে এই আশঙ্কায় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে সেনা। নিষিদ্ধ করা হয়েছে নাগরিক সমাজের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)-কে। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিন জেএসি। তবে তার আগেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। জানা যাচ্ছে, রাওয়ালকোটের এক সরকারি হাসপাতালের মর্গের সামনে জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। এখানে রাখা ছিল পুলিশের গুলিতে মৃত এক সমাজকর্মীর দেহ। শান্তিপূর্ণ সেই জমায়েতেই হামলার অভিযোগ ওঠে পাক রেঞ্জার্স ও পুলিশের বিরুদ্ধে। পালটা পুলিশের উপর আক্রমণ করে ক্ষুব্ধ জনতা। এই খণ্ডযুদ্ধে ৪ নিরাপত্তারক্ষীর পাশাপাশি ৬ সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়। ১১ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ৭০ জন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নির্বাচনের ফল সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে এই আশঙ্কায় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে সেনা। নিষিদ্ধ করা হয়েছে নাগরিক সমাজের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)-কে।

অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নিয়েছে যে আমেরিকা, ব্রিটেন এবং কানাডার মতো প্রথম সারির দেশগুলি তাদের নাগরিকদের জন্য জরুরি ‘ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি’ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। জানা যাচ্ছে, গোটা ঘটনার সূত্রপাত পাকিস্তানের সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অপব্যবহারের জেরে। এই অঞ্চলের জনপ্রিয় সংগঠন হল নাগরিক সমাজের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’। এরা যাতে নির্বাচনে লড়তে না পারে তার জন্য সরকার এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছে। এতেই ফুঁসে উঠেছে জনতা। জানা যাচ্ছে, সেনার সঙ্গে সংঘর্ষের পর ওই সেনা হাসপাতালের দখল নিয়েছে জনতা।

Advertisement

এরই মাঝে মঙ্গলবার পালিত হচ্ছে জেএএসি-র ডাকা বনধ। এরই অংশ হিসেবে বিক্ষোভকারীরা ভীম্বর থেকে একটি ‘দীর্ঘ পদযাত্রা’ শুরু করবে। এই পদযাত্রাটি মিরপুর, কোটলি ও পুঞ্চের ওপর দিয়ে গিয়ে ১০ জুন মুজাফফরাবাদে পৌঁছাবে, যেখানে বিধানসভার বাইরে ধর্মঘটে বসা হবে। এই কর্মসূচি আটকাতে কড়া পদক্ষেপ করছে পাকিস্তান সেনা। স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও মিছিল হতে দেওয়া হবে না। এখনও পর্যন্ত ২০০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বনধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন