Princess Diana

যুবরাজ হ্যারির জন্মে খুশি হননি চার্লস! ডায়নার নয়া টেপে প্রকাশ্যে বিস্ফোরক দাবি

'ডায়না: দ্য রেস্ট অফ হার স্টোরি' তথ্যচিত্রে থাকছে ডায়নার পুরনো সাক্ষাৎকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৩, ১২:৫৯

options
link
যুবরাজ হ্যারির জন্মে খুশি হননি চার্লস! ডায়নার নয়া টেপে প্রকাশ্যে বিস্ফোরক দাবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুবরাজ হ্যারি (Prince Harry) যখন জন্মেছিলেন, তখন একেবারেই খুশি হননি রাজা (তখন অবশ্য তিনি যুবরাজ) তৃতীয় চার্লস (King Charles III)। এক নতুন উদ্ধার হওয়া অডিও টেপে তাঁর স্ত্রী ডায়নাকে এমনই বিস্ফোরক দাবি করতে দেখা গিয়েছে। খুশি হননি তিনি নিজেও!

Advertisement

১৯৯৭ সালে এক আকস্মিক দুর্ঘটনায় তিনি প্রয়াত হলেও আজও বাকিংহাম প্যালেসে চার্লসের প্রাক্তন ও প্রয়াত স্ত্রীর অনিবার্য ‘ছায়া’ উপস্থিতি। লেডি ডায়নার (Lady Diana) একটি ৬ ঘণ্টার অতিরিক্ত টেপ পাওয়া গিয়েছে। আর সেখানেই এই দাবি করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। শিগগিরি মুক্তি পাবে একটি তথ্যচিত্র ‘ডায়না: দ্য রেস্ট অফ হার স্টোরি’। সেখানে ওই অডিও শোনা যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘এবার কি ‘এক দেশ, এক দল’?’ কেন্দ্রকে কটাক্ষ তেজস্বীর]

ঠিক কী বলেছিলেন ডায়না? তিনি জানিয়েছিলেন, ”জানেন আমরা কেউই খুশি হইনি (যুবরাজ হ্যারির জন্মের সময়)। আসলে আমরা চেয়েছিলাম কন্যাসন্তান হোক।”
উল্লেখ্য, হ্যারির আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’-এ তিনি তাঁর বাবা চার্লসের ‘বদ রসিকতা’র উল্লেখ করতে গিয়ে উদাহরণ দিয়েছিলেন তাঁর এক উক্তির। তিনি নাকি ছেলেকে বলেছিলেন, ”কে বলতে পারে আমি তোমার সত্যিকারের বাবা কিনা।”

Advertisement

আজ থেকে প্রায় ২৬ বছর আগে ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট মারা যান ডায়না। কিন্তু এত বছরেও তাঁর উপর থেকে রহস্যের কুয়াশা সরেনি। এই পরিস্থিতিতে নয়া টেপ ঘিরে শোরগোল। তথ্যচিত্রে বাকিংহাম প্যালেসের আর কোন অজানা দিক উঠে আসে সেদিকেই নজর ওয়াকিবহাল মহলের।

[আরও পড়ুন: জি২০ বৈঠকে জিনপিংয়ের না আসার সম্ভাবনা ক্রমেই জোরালো, কে আসবেন তাঁর পরিবর্তে?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.