Iran war

যুদ্ধে ‘ধোঁকা’ দিয়েছে ন্যাটো, ইরানকে বাগে আনতে আমেরিকার পাশে সৌদি-সহ ২ দেশ!

এক নাগাড়ে ইরানের হাতে পার খাওয়ার পর এবার আমেরিকার সঙ্গে মিলে সরাসরি যুদ্ধে নামছে দেশ দুটি। এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা না হলেও এমনটাই জানা যাচ্ছে সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৪:৩৪

options
link
যুদ্ধে ‘ধোঁকা’ দিয়েছে ন্যাটো, ইরানকে বাগে আনতে আমেরিকার পাশে সৌদি-সহ ২ দেশ!
ইরানকে বাগে আনতে আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধে নামছে সৌদি-সহ ২ দেশ!

ইরান যুদ্ধে পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ সত্ত্বেও ট্রাম্পের থেকে মুখ ফিরিয়ে ন্যাটো। সময় যত গড়াচ্ছে ইরানের প্রত্যাঘাতে যথেষ্ট চাপে আমেরিকা। সূত্রের খবর, গুরুতর এই পরিস্থিতিতে বেপরোয়া ইরানকে বাগে আনতে আমেরিকার সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। এক নাগাড়ে ইরানের হাতে পার খাওয়ার পর এবার আমেরিকার সঙ্গে মিলে সরাসরি যুদ্ধে নামছে দেশ দুটি। এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা না হলেও এমনটাই জানা যাচ্ছে সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ল স্ট্রিট জার্নালে’র মতে, সৌদি আরব ও আমিরশাহী এবার সরাসরি ইরান যুদ্ধে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ সূত্রকে উদ্ধৃত করে তাদের দাবি, সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে কিং ফাহদ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এতদিন ইরানের বিরুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি ব্যবহারের জন্য আবেদন জানিয়েছিল আমেরিকা। তবে সে প্রস্তাবে রাজি ছিল না সৌদি। অবশেষে অনুমতি দেওয়ার অর্থ হল, সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামা। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীও ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে নিজেদের ভুখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে কিং ফাহদ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এতদিন ইরানের বিরুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি ব্যবহারের জন্য আবেদন জানিয়েছিল আমেরিকা।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাসকে উদ্ধৃত করে রয়টর্সের দাবি, তাদের দেশের ভূখণ্ড আমেররিকাকে ব্যবহার করতে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। তবে সেটি আনুষ্ঠানিক আলোচনার মতো জায়গায় এখনও আসেনি। এসবের মাঝেই বন্ধ হরমুজ প্রসঙ্গে গারগাস বলেন, “হরমুজ সচল রাখার বিষয়টি এমন একটি বিষয় যেখানে সকলের স্বার্থ জড়িত। ফলে দায়িত্ব প্রত্যেকেরই রয়েছে।” এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের স্বার্থে দুই দেশ আমেরিকার হাতে হাত মিলিয়ে সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরানের রণনীতি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রাখা। এই একটি নীতিতেই যারপরনাই বিপাকে পড়েছে আমেরিকা-সহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য। বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ জ্বালানি তেলের বাণিজ্য এই পথেই চলে। যা বন্ধ হওয়ায় টালমাটাল পৃথিবীর জ্বালানি ক্ষেত্র। এর উপর লাগাতার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। যার জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত আমিরশাহী ও আরব। আমিরশাহির তেল রপ্তানির বন্দর ফুজাইরাহ-তেও দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ইরান। যার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশের সঙ্গেই কূটনৈতিক সম্পন্ন ছিন্ন হয়েছে ইরানের। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি যদি আমেরিকার সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামে তবে তা মহাযুদ্ধের রূপ নেবে বলে আশঙ্কা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.