Benjamin Netanyahu

‘প্যালেস্টাইন বলে কোনও রাষ্ট্র থাকবে না’, রাষ্ট্রসংঘে ভোটাভুটির মাঝেই হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

আর কী বললেন তিনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৫:৪৪

options
link
‘প্যালেস্টাইন বলে কোনও রাষ্ট্র থাকবে না’, রাষ্ট্রসংঘে ভোটাভুটির মাঝেই হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্যালেস্টাইন বলে কোনও রাষ্ট্র থাকবে না। গোটা ভূখণ্ডটাই আমাদের। রাষ্ট্রসংঘে ভোটাভুটির মাঝেই হুঁশিয়ারি দিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

Advertisement

গত বৃহস্পতিবার বিতর্কিত ই-ওয়ান সেটলমেন্ট প্রকল্পে সই করেন নেতানিয়াহু। তারপরই তিনি হুঙ্কার দেন, “প্যালেস্টাইন বলে কোনও রাষ্ট্র থাকবে না। গোটা ভূখণ্ডটাই আমাদের। আমরা আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের ভূমি এবং আমাদের নিরাপত্তা রক্ষা করব।” প্রসঙ্গত, ই-ওয়ান সেটলমেন্ট প্রকল্পের মাধ্যমে পূর্ব জেরুজালেমে হাজার হাজার নতুন আবাসন নির্মাণ করবে ইজরায়েল। সম্প্রতি সেদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পটির মাধ্যমে ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক দ্বিখণ্ডিত হয়ে যাবে। ফলে ভৌগলিকভাবে পূর্ব জেরুজালেমে বলে কিছু থাকবে না। এর জেরে প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে সব মিলিয়ে ১৪২টি দেশ প্যালেস্টাইনের পূর্ণ সদস্যপদের পক্ষে সায় দিয়েছে। প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতির পক্ষে ভোট দিল ভারতও। প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে ১০টি দেশ এবং ভোটদান থেকে বিরত থেকেছে ১২টি দেশ। এদিনের ভোটে যারা বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তাদের মধ্যে আমেরিকা ও ইজরায়েল ছাড়াও রয়েছে আর্জেন্টিনা, হাঙ্গেরি, পাপুয়া নিউ গিনি, প্যারাগুয়ের মতো দেশগুলি। গৃহীত প্রস্তাবে ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইনের দ্বন্দ্ব মেটাতে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কথাই বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘকালীন পর্যায়ে শান্তি ফেরানোর কথা।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৭ অক্টোবর হামাস হামলা চালায় ইজরায়েলে। সেই হামলায় ১২০০ মানুষের মৃত্যু হয়। পণবন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয় ২৫০ জনকে। এরপরই গাজা ভূখণ্ডে পালটা হামলা চালায় ইজরায়েলি সেনা। এখনও পর্যন্ত সেই হামলায় ৬০ হাজার মানুষের প্রাণ গিয়েছে। অনাহার ও অপুষ্টিতে মৃত্যুর প্রহর গুনছে শিশু-সহ বহু মানুষ। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘে যে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে সেখানে গাজাকে হামাসের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার কথাই বলা হয়েছে। তবে এর আগে ২০১৫ থেকে ২০২৩, এই সময়কালে রাষ্ট্রসংঘে দেড়শোর বেশি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। কিন্তু এরপরও তেল আভিভের গাজার প্রতি আচরণে কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি। বরং সাম্প্রতিক সময়ে ত্রাণের লাইনে দাঁড়ানো সাধারণ প্যালেস্তিনীয়দের দিকে ইজরায়েলি সেনার গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে বারবার। হামাস নিধন যজ্ঞে নেমে গাজাকে কার্যত ‘নরকে’ পরিণত করেছে ইজরায়েল। গোটা গাজা হয়ে উঠেছে আস্ত ধ্বংসস্তূপ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন